প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর তারিখে ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক এই আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত “চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার জীবননগর কৃষ্ণপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে এস.টি.এইচ.বি.ইট ভাটার কার্যক্রম চলমান” শীর্ষক সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রকাশিত সংবাদটি ভুল তত্ত্বের ভিত্তিতে প্রতিবেদক উক্ত পত্রিকায় প্রতিবেদনের আকারে তুলে এনেছেন বলেই আমি বিশ্বাস করি। চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের ভিতরে অবস্থিত এস.টি.এইচ.বি ইট ভাটার কার্যক্রম বন্ধ সংক্রান্ত উল্লেখিত প্রতিবেদনে যা বলা হয়েছে, সেটিও সম্পূর্ণ মিথ্যা।

প্রতিদিনে উল্লেখিত অধিদপ্তরের স্মারক ও উপযুক্ত সূত্রের পরিপ্রেক্ষিতে চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের আবাসিক এলাকা থেকে জনস্বার্থে আনীত অবৈধ ক্ষতিকর এস.টি.এইচ.বি নামের ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ার কথা বলা হলেও বিষয়টি সত্য নয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে এস.টি.এইচ.বি ইট ভাটার মালিক রফিকুল ইসলাম ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অবৈধ ভাটা পরিচালনা করছেন এবং কৃষ্ণপুর গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তিকে উদ্ধৃত করা হয়েছে। এটি সর্বৈব মিথ্যা। এই আমার দেশ পত্রিকার সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদককে ভুল ও অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য একটি মহল এই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন, ষড়যন্ত্রমূলক প্রতিবেদন তৈরি করেছেন।

ইটের ভাটার কারণে সবুজ ফসল নষ্ট হচ্ছে মর্মে উল্লেখ করা কথাটিও সত্য নয়। এই গ্রামে ভাটার কারণে কোনো ফসল নষ্ট হওয়ার ঘটনা ঘটেনি।

এ বিষয়ে এস.টি.এইচ.বি ইট ভাটার মালিক রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে তাকে বহুবার নাজেহাল ও মামলা-মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। এখন রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে একটি মহল গভীর চক্রান্তে লিপ্ত। এই জেলায় সকল ইটভাটা সরকারের নিয়মনীতি মেনে যেভাবে চলে, আমিও আমার ভাটাও সেইভাবে পরিচালনা করে আসছি। সরকারের প্রচলিত নীতিমালার বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

পরিশেষে, আমি আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *