স্পোর্টস ডেস্ক:
মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে হেরে ফিফা আসিয়ান কাপের মিশন শুরু করেছে বাংলাদেশ ফুটবল দল। প্রথমার্ধে ছন্নছাড়া ফুটবলে দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেও গোলের দেখা পায়নি বাংলাদেশ।
ফিফা আসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মালয়েশিয়া। বিপরীতে ম্যাচের শুরুতে বাংলাদেশের খেলায় ছিল ছন্দের ঘাটতি।
ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই কর্নার থেকে পাওয়া বলে গোলের সুযোগ তৈরি করে মালয়েশিয়া। আক্রমণভাগের এক খেলোয়াড়ের নেওয়া শট কোনোমতে ঠেকিয়ে দেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ।
এরপরও একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে মালয়েশিয়া। বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখার পর ১৮তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোল পায় তারা। মাঝমাঠ থেকে সতীর্থের বাড়ানো বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন মালয়েশিয়ার ১০ নম্বর জার্সিধারী আরিফ আইমান। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মণ তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে গোলরক্ষক শ্রাবণকেও পরাস্ত করে বল জালে পাঠান আরিফ।
৩৮তম মিনিটে তপু বর্মণের ভুলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে মালয়েশিয়া। তার ভুল পাস থেকে বল পেয়ে যান আরিফ আইমান। সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। ফলে প্রথমার্ধ শেষে ২-০ গোলে এগিয়ে থাকে মালয়েশিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই গোলে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। তবে গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। উল্টো ৫২তম মিনিটে আরও এক গোল হজম করে বাংলাদেশ।
ডানপ্রান্ত থেকে আসা বল বাম পায়ে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডান পায়ে শট নেন ব্রাজিলে জন্ম নেওয়া মালয়েশিয়ান ফরোয়ার্ড বের্গসন গুস্তাভো। শটে খুব বেশি গতি না থাকলেও সেটি ঠেকাতে পারেননি শ্রাবণ। ফলে ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া।
৭৬তম মিনিটে বাংলাদেশের হয়ে গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন হামজা চৌধুরী। সতীর্থের বাড়ানো বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। সামনে শুধু মালয়েশিয়ার গোলরক্ষককে পেয়েও শট জালে জড়াতে পারেননি হামজা। গোলরক্ষক প্রথম শট ঠেকিয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় প্রচেষ্টাও কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল হয়নি। ফলে ৩-০ গোলের ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। থমাস ডুলির শিষ্যদের বড় হারের মধ্য দিয়ে শুরু হলো ফিফা আসিয়ান কাপের মিশন।