Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home/u102988081/domains/dailyswadhinsangbad.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
মেসির অবসরের সিদ্ধান্তে কষ্ট পেয়েছেন মা, ‘গুরুত্বপূর্ণ হলো সে সুখী’ - দৈনিক স্বাধীন সংবাদ

মেসির অবসরের সিদ্ধান্তে কষ্ট পেয়েছেন মা, ‘গুরুত্বপূর্ণ হলো সে সুখী’

স্পোর্টস ডেস্ক:
আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে লিওনেল মেসির অবসরের ঘোষণায় দেশে-বিদেশে শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। মেসির এই সিদ্ধান্তে তার পরিবারের সদস্যরাও আবেগাপ্লুত। এর সঙ্গে সম্প্রতি তার বাবা ও দীর্ঘদিনের এজেন্ট হোর্হে মেসির মৃত্যুর বিষয়টিও জড়িয়ে আছে। ছেলের অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে এবার অনুভূতি জানিয়েছেন মেসির মা সেলিয়া মারিয়া কুচ্চিত্তিনি।

‘ইন্ত্রুসোস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেলিয়া জানান, তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় দল থেকে অবসর নেওয়ার বিষয়টি ভাবছিলেন। তবে সোমবারের বিদায়ী ঘোষণা পরিবারের অন্য সদস্যদের মতো তাকেও কষ্ট দিয়েছে।

সেলিয়া বলেন, ‘যদিও আমরা বিষয়টি আগে থেকেই জানতাম, তারপরও পরিবারের সবাই খুব দুঃখ পেয়েছি।’

মেসিকে ছাড়া আর্জেন্টিনা জাতীয় দলকে মাঠে দেখার বিষয়টি অনেকের কাছেই কঠিন। ১০ নম্বর জার্সিতে তার বাঁ পায়ের জাদুকরী ড্রিবল, ডিফেন্সচেরা পাস এবং দুর্দান্ত গোল—এসব আর জাতীয় দলের হয়ে দেখা যাবে না। তবে এসবের চেয়েও ছেলের সুখকেই বড় করে দেখছেন সেলিয়া।

তিনি বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো সে সুখী।’

জাতীয় দল থেকে মেসির অবসর নেওয়ার বিষয়টি পরিবারের রাতের খাবারের টেবিলে প্রায়ই আলোচনায় আসত। সেই সময়ের কথা স্মরণ করে সেলিয়া জানান, বিষয়টি মেসির বাবা হোর্হেকেও দীর্ঘ সময় ভাবিয়ে রাখত।

গত ৮ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্থানীয় একটি ক্লিনিকে মারা যান মেসির বাবা ও দীর্ঘদিনের এজেন্ট হোর্হে। বাবার সঙ্গে অবসরের বিষয়টি নিয়ে হওয়া কথোপকথন স্মরণ করে সেলিয়া বলেন, ‘বাবা সবসময় বলত, আমি যখন আর খেলব না, তখন আমি কী করব? কিন্তু সবকিছুই একসঙ্গে ঘটে গেল, অবিশ্বাস্য।’

মেসির জাতীয় দল ছাড়ার সিদ্ধান্তের পেছনে বাবার মৃত্যু অন্যতম কারণ বলেও ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তার বিদায়ী বার্তাতেও বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

মেসি তার বিদায়ী বার্তায় লিখেছিলেন, ‘আমি নিঃস্ব। আমার আর দেওয়ার কিছু নেই। আমি এই কথাগুলো লিখেছিলাম ২১ জুলাই, বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হওয়ার দুই দিন পর। আজ, আমার বাবার যা হলো, তারপর আমি আগের চেয়ে আরও বেশি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’

সূত্র: এফএইচএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *