অনলাইন ডেস্ক:
মক্কাকে রাজনৈতিক ও সামরিক লক্ষ্য অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে সৌদি আরব ইয়েমেনের ওপর নিপীড়ন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন হুথি নেতা আবদুল মালিক আল-হুথি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক ঘণ্টার ভাষণে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেন তিনি। আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আল-হুথি বলেন, সৌদি আরব মক্কাকে ‘নিপীড়নের প্রতীক’ হিসেবে ব্যবহার করছে। তার ভাষ্য, এটি একটি মিথ্যা ও প্রতারণামূলক প্রচেষ্টা।
সম্প্রতি সৌদি আরব অভিযোগ করেছে, আনসার আল্লাহ গোষ্ঠী মক্কাকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা করেছে। তবে এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন আল-হুথি। একই সঙ্গে মুসলিম বিশ্বের প্রতি সৌদি আরবের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে ইয়েমেনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
হুথি নেতা দাবি করেন, ইয়েমেনে সৌদি আরবের আগ্রাসনের এটি ১২তম বছর। তার ভাষ্য, বর্তমান সংঘাতের এই পর্যায় সৌদি আরবই শুরু করেছে। মক্কাসহ বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৌদি সামরিক অভিযান চালানোর পর ইয়েমেনের পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
আল-হুথির ভাষ্য অনুযায়ী, সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি সামরিক অভিযান এবং পরবর্তী সময়ে মোচা দখল ও আনসার আল্লাহর অগ্রযাত্রার মধ্য দিয়ে সংঘাত নতুন মাত্রা পায়। এর ধারাবাহিকতায় আনসার আল্লাহ দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে মোচা, ধাবাব ও বাব আল-মান্দাবের নিয়ন্ত্রণ নেয় বলেও দাবি করেন তিনি।
হুথি নেতা আরও বলেন, সৌদি আরব ইয়েমেনকে আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে যেতে বাধ্য করেছে। তার দাবি, বর্তমানে ইয়েমেনে হুথিদের সামরিক তৎপরতা এমন একটি দেশের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ, যারা ইয়েমেনকে অধীন ও নিপীড়িত অবস্থায় রাখতে চায়।
এ ছাড়া সৌদি আরবের সামরিক কর্মকাণ্ডের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ‘জায়নবাদীরা’ নেতৃত্ব দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন আল-হুথি। তার দাবি, তারাই সৌদি আরবের ওপর রাজনৈতিক নীতি চাপিয়ে দিচ্ছে এবং সামরিকভাবে পদক্ষেপ নিতে প্রভাবিত করছে।