কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি: ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানার শাক্তা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যেরচর মৌজায় রাতের আঁধারে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু ফেলে অন্যের জমি ভরাট করে দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দক্ষিণ বালুর চর গ্রামের মধুসিটি রিভারভিউয়ের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে এ ঘটনা ঘটেছে।
অভিযোগের তীর মধুসিটি রিভারভিউয়ের মো. আমিন, নূরুল ইসলাম (ভেন্ডর) এবং মো. মামুনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধ্যেরচর মৌজার দক্ষিণ বালুর চর এলাকায় মধুসিটি রিভারভিউয়ের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে অন্যের মালিকানাধীন জমিতে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করা হয়। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঁধা দেন। পরে স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে কিছু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তবে অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয়দের বাধার পর প্রায় এক সপ্তাহ অপেক্ষা করে অভিযুক্তরা রাতের আঁধারে আবারও ড্রেজার দিয়ে বালু ফেলার কাজ শুরু করেন। পরে গোপনে পুরো জমি বালু দিয়ে ভরাট করে ফেলার অভিযোগ ওঠে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায় প্রকাশ্যে কাজ করতে বাধার মুখে পড়ায় রাতের অন্ধকারকে কাজে লাগিয়ে জমি ভরাট করা হয়েছে। এতে জমির প্রকৃত মালিকরা তাদের জায়গা হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনাও তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, জমিতে বালু ভরাটের সময় তারা বাধা দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে রাতের বেলায় ড্রেজার এনে দ্রুত জমি ভরাট করা হয়। তাদের অভিযোগ, জমির মালিকদের অনুমতি ছাড়া এভাবে অন্যের জমি ভরাট করে দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে মো. আমিন, নূরুল ইসলাম (ভেন্ডর) ও মো. মামুনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা হবে।
এদিকে, জমির মালিকানা ও ভরাটের বৈধতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে রাতের আঁধারে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু ফেলে জমি ভরাটের ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং জমির প্রকৃত মালিকানা ও ভরাটের বৈধতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস ও প্রশাসনের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।