শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, সততা ও নেতৃত্বের গুণে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীর

মোঃআনজার শাহ

দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে তরুণদের দক্ষতা, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশে নতুন প্রত্যয়ের বার্তা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট এফবিআই ক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সাড়ম্বরে উদযাপিত হয়েছে। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনকে ঘিরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অতিথিদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিণত হয় উৎসবমুখর মিলনমেলায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জনাব জাকারিয়া তাহের, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, এমপি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়েদ ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জনাব জাকারিয়া তাহের বলেন, দেশের অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করতে তরুণদের জ্ঞানচর্চা, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের গুণাবলিতে সমৃদ্ধ হতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাই নয়, মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা ও দায়িত্ববোধ অর্জনের মাধ্যমেই আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। দেশের কল্যাণে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগাতে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথিদের বক্তব্যেও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন, নেতৃত্ব বিকাশ এবং জাতীয় উন্নয়নে সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কেবল উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র নয়, বরং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রনায়ক, নীতিনির্ধারক ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির অন্যতম ভিত্তি। এ ধরনের সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ম্যানেজমেন্ট এফবিআই ক্লাবের সাবেক ও বর্তমান সদস্যসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল আলোচনা পর্ব, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা অনুষ্ঠান।

পাঁচ বছরের পথচলায় ম্যানেজমেন্ট এফবিআই ক্লাব শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে বলে উল্লেখ করেন অতিথিরা। ভবিষ্যতেও ক্লাবটি শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে বিকশিত করে দেশ ও জাতির কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

আয়োজক, সাবেক ও বর্তমান সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব বিকাশের এই অঙ্গীকার দেশ গঠনের অভিযাত্রায় আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে বলেই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সবার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *