
স্টাফ রিপোর্টার
আমরা দীর্ঘদিন থেকে এই গাইবান্ধা অঞ্চলে হিন্দু-মুসলিম সহ সকল ধর্মের মানুষ সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছি। কোন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ইতিহাস আমাদের জানা নেই। কিন্তু সম্প্রতিক সময়ে হরিদাস নামে এক ভন্ড-বকধার্মিক প্রতারক যিনি কিছুদিন পূর্বে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় মুসলিম সেজে মুসলিম মেয়েকে বিবাহ করে। সেই প্রতারক কর্তৃক গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রামমূর্তি স্থাপন কে কেন্দ্র করে যে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয়েছে এর সম্পর্কে কয়েকদিন পূর্বে আমরা প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছি। আপনারা তা অবগত রয়েছেন।
প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা
পলাশবাড়ীতে বিশ্বের সর্ববৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিছক ধর্ম পালন নয়, বরং ধর্ম পালনের আড়ালে রয়েছে দেশ বিভক্তির গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। যা ইতিমধ্যে অ্যাডভোকেট চৈতালী চক্রবর্তী এবং পলাশ কান্তি সহ অন্যান্য হিন্দু নেতাদের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে গেছে। তারা সেভেন সিস্টার রক্ষায় রংপুর অঞ্চলকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়। বিভিন্ন সময় ভারতের অনেক দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ থেকে এমন বক্তব্য পাওয়া যায় যা আমাদেরকে গভীর ভাবে শঙ্কিত করেছে। এমতাবস্থায় এই বিক্ষুব্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করনের লক্ষ্যে নিয়ে আমাদের দাবিগুলো উপস্থাপন করছি।
সুতরাং রাম মূর্তি ও প্রতারক হরিদাস সম্পর্কিত আমাদের ৫ দফা দাবি
১। ধর্মের লেবেল ব্যবহার করেসাম্প্রদায়িক উস্কানি প্রদানের লক্ষ্যে বিতর্কিত ও ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে মন্দিরের বাইরে খোলা আকাশের নিচে নির্মিত এই মূর্তি দ্রুত অপসারণ করতে হবে।
২। প্রতারক হরিদাসসহ দেশবিরোধী সকল ষড়যন্ত্রকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
৩। প্রকল্পের অর্থায়ন, সরকারিঅনুমোদন ও দেশি-বিদেশি সম্পৃক্ততা তদন্ত করতে হবে। বিদেশি অর্থায়ন, প্রভাব বা কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ আইনগত ও কূটনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৪। গাইবান্ধা ও রংপুর বিভাগের শান্তি-শৃঙ্খলা সম্প্রীতি এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৫। নির্ধারিত সময়ে আমাদের দাবি বাস্তবায়িত না হলে দেশপ্রেমিকজনতাকে সাথে নিয়ে বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।