স্টাফ রিপোর্টার :
কিছু কিছু মানুষ টাকার নেশায় অন্ধ। যেভাবেই হোক টাকা ইনকাম করতে হবে, হোক সেটা বৈধ অথবা অবৈধ পথে। মুসলিম প্রধান দেশে রাতভর নগ্ন গানের আসর চলতে পারেনা বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। ফতুল্লা থানার একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন ৫ ই আগস্টের পর কি করে এই নগ্ন গানের আসর চলতে পারে।
প্রশাসন আসে এবং যায় কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নেয় না তার মানে কি বোঝা যায়। ওসি ফতুল্লা থানার কাজটাই বা কি। ফতুল্লা থানার জালকুড়ি বাসস্ট্যান্ডের পাশে কড়ইতলা আওয়ামী লীগের দোসর কথিত বাউল সুমন ও চান মিয়া দীর্ঘদিন যাবত সারারাত নগ্ন গানের আসর বসিয়ে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছেন টাকা।
এই গানের আসর বসার কারণে এলাকায় বাড়ছে ছিনতাই ও চুরির মত ঘটনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী বলেন সুমনও চান মিয়ার নগ্ন গানের আসরে প্রতিদিন বসে নেশা খোরদের আড্ডা। সেবন করা হয় মাদক। এতে এলাকাবাসী চরম হতাশ। সুমন গংরা বলেন ওসি ফতুল্লাকে ম্যানেজ করে এই গানের আসল চালাই। ফতুল্লা থানা এলাকায় অনেক জায়গায় নগ্ন গানের আসর সারারাত বসে। এদের মধ্যে অন্যতম সুমন, চান মিয়া, ইমরান দেওয়ান, মিজান ভান্ডারী সহ আরো অনেকেই। এ বিষয়ে ওসি ফতুল্লা বলেন আমরা কোন নগ্ন গানের আসর বসার জন্য অনুমতি দেই নাই। গতকালও ভুই ঘর থেকে কয়েকজনকে আটক করেছি।তিনি আরো বলেন তারা আমাদের কাছে আসছিল আমরা বলেছি ৯ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত করতে পারবেন এরপর আর পারবেন না। কিন্তু তারা সারা রাত চালায়। বিষয়টি ফতুল্লা জেলার পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ