অনলাইন ডেস্ক:
উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছেন দেশটির নেতা কিম জং উন। এর অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নো কোয়াং চোলকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ এ তথ্য জানিয়েছে।
কেসিএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়, সামরিক কাঠামো পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে শনিবারের এক বৈঠকে এসব পরিবর্তনের অনুমোদন দেন কিম জং উন। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে নো কোয়াং চোলকে ক্ষমতাসীন দলের অস্ত্রশিল্প বিভাগের প্রথম উপপরিচালক করা হয়েছে।
তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন কোরিয়ান পিপলস আর্মির জেনারেল পলিটব্যুরোর প্রধান কিম সং গি। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা পাক জং চোনকে কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ও ক্ষমতাসীন দলের পলিটব্যুরোর সদস্য করা হয়েছে।
সামরিক প্রযুক্তি ও নতুন অস্ত্রব্যবস্থা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য গবেষক ও কর্মকর্তাদের প্রশংসা করার পরই এই রদবদল করা হলো। কেসিএনএর দাবি, দেশটির অস্ত্র গবেষণাকেন্দ্র সম্প্রতি এমন কিছু প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, যা উত্তর কোরিয়ার সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারে।
দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া শেষ হওয়ার পরপরই পিয়ংইয়ংয়ের সামরিক নেতৃত্বে এই পরিবর্তন সামনে এলো। উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরে এসব মহড়াকে নিজেদের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি হিসেবে দেখে আসছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বছর ওই মহড়া নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে কিম জং উনের সঙ্গে নতুন করে বৈঠকের আগ্রহও প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে ওয়াশিংটনের এমন উদ্যোগে এখনো ইতিবাচক সাড়া দেয়নি পিয়ংইয়ং।
বরং উত্তর কোরিয়া নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। আগামী ৭ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু দ্বীপের কাছে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের যৌথ ‘ফ্রিডম এজ’ সামরিক মহড়ার ঘোষণাও দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো।