কামরুল ইসলাম:
চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জায়েদ নুরের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ জানায়, কোতোয়ালি থানার সাহসী ও চৌকস ক্যাডেট পুলিশ কর্মকর্তা ইনচার্জ ওসি জায়েদ নুরের নেতৃত্বে থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান ও ডিউটি চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, কোতোয়ালি থানাধীন কাজীর দেউড়ি দক্ষিণ স্টেডিয়াম গেটের পাশে COOPER’S নামক দোকানের সামনে রাস্তায় কতিপয় ব্যক্তি ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য অবস্থান করছে।
পরবর্তীতে অফিসার ইনচার্জ ওসি জায়েদ নুরের নেতৃত্বে এবং এসআই মো. সেকান্তর মিয়া সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ উক্ত স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ডাকাত দলের সদস্য আবুল কালাম প্রকাশ কামরুল প্রকাশ সোহাগ (২২), মো. জাফর আহম্মেদ (২৬), সালাউদ্দিন প্রকাশ ইদ্রিস (২৬) ও মো. রবিউল হাসান জিহাদ (২৭)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আবুল কালাম প্রকাশ কামরুল প্রকাশ সোহাগের পিতা আবুল কাশেম, মাতা পারভিন আক্তার। তার স্থায়ী ঠিকানা চাঁদপুরের কচুয়া থানাধীন রাগদুর, সাচার এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ড। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের খুলশী ও দামপাড়া এলাকায় অবস্থান করতেন।
মো. জাফর আহম্মেদের পিতা আবুল বাশার, মাতা নাসিমা বেগম। তার ঠিকানা লক্ষ্মীপুরের রামগতি থানাধীন আদর্শগ্রাম। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানাধীন ৭ নম্বর স্টেশন রোড এলাকায় ভাসমান অবস্থায় ছিলেন।
সালাউদ্দিন প্রকাশ ইদ্রিসের পিতা মৃত আব্দুর রাজ্জাক এবং মাতা মৃত মনোয়ারা বেগম। তার ঠিকানা চট্টগ্রামের খুলশী থানাধীন আমবাগান, ইদ্রিস সওদাগরের কলোনি।
মো. রবিউল হাসান জিহাদের পিতা মো. হাসেম এবং মাতা রোকসানা আক্তার। তার ঠিকানা চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানাধীন দক্ষিণ ঘাটচাইল। বর্তমানে তিনি কোতোয়ালি থানাধীন বিআরটিসি, ব্রয়লার কলোনি এলাকায় বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় গ্রেপ্তারকৃতদের হেফাজত থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি ছোরা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানার মামলা নম্বর-২৩, তারিখ ১৪/০৯/২০২৬ ইং, ধারা ৩৯৯/৪০২ পেনাল কোডে মামলা রুজু করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের যথাযথ প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।