বিনোদন ডেস্ক:
মুম্বাইয়ের বিখ্যাত ‘লালবাগচা রাজা’র গণপতি মণ্ডপে বলিউড তারকাদের উপস্থিতি নিয়ে বরাবরই আগ্রহ থাকে। মঙ্গলবার সেখানে অভিনেতা গোবিন্দের উপস্থিতিও নজর কাড়ে। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন নবাগত অভিনেত্রী কোমল রানী স্বর্ণকার।
পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় গোবিন্দ ও কোমলকে একসঙ্গে দেখা যায়। গোবিন্দের পরনে ছিল সাদা কুর্তা-পায়জামা এবং কোমলের পরনে ছিল লাল-হলুদ শাড়ি। ক্যামেরার সামনে গোবিন্দ ‘গণপতি বাপ্পা মোরিয়া’ স্লোগান দেন। পাশে থাকা কোমলও হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।
তবে এর কিছুক্ষণ আগেই একই মণ্ডপে একা এসে প্রার্থনা করেন গোবিন্দের স্ত্রী সুনীতা আহুজা। এ ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে গোবিন্দ ও কোমলের সম্পর্ক নিয়ে চলমান গুঞ্জন।
গত আগস্টে মুম্বাই বিমানবন্দরে গোবিন্দ ও কোমলকে প্রথমবার একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাদের কেউই এ সম্পর্কের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি।
সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেন গোবিন্দের স্ত্রী সুনীতা। তিনি গোবিন্দকে ইঙ্গিত করে বলেন, তিনি ‘মেয়ের বয়সী একজনের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছেন’। এ সময় তাকে ‘সুগার ড্যাডি’ বলেও কটাক্ষ করেন সুনীতা।
এরপর অভিনেত্রী রাখী সাওয়ান্তের সঙ্গে এক ফোনালাপে সুনীতা দাবি করেন, গোবিন্দ ও কোমল বিয়ের পরিকল্পনা করছেন। তবে গোবিন্দের ম্যানেজার শশী সিনহা এ দাবি অস্বীকার করে জানান, দ্বিতীয় বিয়ের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। দম্পতির মধ্যে তৈরি হওয়া ভুল বোঝাবুঝি দ্রুত মিটে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ভুয়া খবর, মানহানিকর কনটেন্ট ও ডিপফেক নিয়ে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দেন গোবিন্দ।
১৯৮৭ সালে সুনীতা আহুজাকে বিয়ে করেন গোবিন্দ। দীর্ঘ সংসারজীবনের পর ২০২৫ সালে তাদের বিচ্ছেদ নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় সুনীতা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। পরে গণেশ চতুর্থী একসঙ্গে উদযাপনের মাধ্যমে তাদের সম্পর্ক নিয়ে চলা আলোচনায় নতুন মাত্রা আসে। ২০২৬ সালে সুনীতা তার বিচ্ছেদের আবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেন বলেও জানা যায়।