মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি:
মঠবাড়িয়া বাজার বণিক সমিতিকে কেন্দ্র করে দ্বৈত কমিটি গঠনের ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাঝে উদ্বেগ ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রদান করেন বণিক সমিতির পক্ষের প্রতিনিধি মো. শামসুল হাসান। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২২ মে ২০২৩ খ্রিস্টাব্দে গঠিত নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে ২৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়, যা আঞ্চলিক শ্রম অধিদপ্তর, বরিশাল কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
উক্ত কমিটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর খুলনা-৮৪৩ বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে পরবর্তীতে ৩০ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ রাতে আরেকটি ২৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়, যেখানে মো. ইদ্রিস আলী মহারাজকে সভাপতি এবং কামরুল আহসান রিপনকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, উক্ত কমিটির কাগজপত্র আঞ্চলিক শ্রম অধিদপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিস্টাব্দে, যা কমিটি ঘোষণার তারিখের আগের। এ বিষয়টিকে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও প্রশ্নবিদ্ধ বলে উল্লেখ করেন বক্তারা। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে এমন কয়েকজন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাদের এ ধরনের কমিটি গঠনের আইনগত এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
ইতোমধ্যে কমিটির একাধিক সদস্য লিখিতভাবে পদত্যাগ করেছেন এবং অনাস্থা প্রকাশ করেছেন বলেও দাবি করা হয়। মো. শামসুল হাসান জানান, বিষয়টি নিয়ে আঞ্চলিক শ্রম অধিদপ্তর, বরিশালের উপ-পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নিয়ে অনুমোদন স্থগিত রেখেছেন বলে তারা অবগত হয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীরা জানান, তারা সংঘাত বা বিভক্তি চান না; বরং একটি ঐক্যবদ্ধ, সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ বাজার পরিচালনা ব্যবস্থা চান। দাবি উপেক্ষিত হলে বৃহত্তর কর্মসূচি ও আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিতও দেওয়া হয়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি ( প্রয়োজনে মোঃ ইদ্রিস আলী মহারাজ মিয়ার ধন্যবাদ বক্তব্য নিতে পারেন)