Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home/u102988081/domains/dailyswadhinsangbad.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর অস্ট্রেলিয়ার নতুন বিধিনিষেধ, পরিবার আনার সুযোগ বন্ধ - দৈনিক স্বাধীন সংবাদ

বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর অস্ট্রেলিয়ার নতুন বিধিনিষেধ, পরিবার আনার সুযোগ বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অভিবাসন কমানোর উদ্দেশ্যে নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা তাদের সঙ্গী ও সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে দেশটিতে থাকার সুযোগ হারাতে পারেন। একইসঙ্গে অস্থায়ী অভিবাসীদের ভিসা পরিবর্তনের প্রক্রিয়াও আরও কঠিন করার পরিকল্পনা করছে সরকার।বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এই পরিবর্তনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কের বক্তব্য দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় নিট বিদেশি অভিবাসন ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে এই সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ।ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এ বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণা দেবেন বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এবিসি নিউজ।বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা তাদের স্বামী, স্ত্রী বা সঙ্গীদের সঙ্গে নিয়ে থাকতে পারেন এবং কাজও করতে পারেন। তবে শিক্ষার্থীর পড়াশোনার কোর্সের ধরন অনুযায়ী তাদের কাজের অনুমোদিত সময় ভিন্ন হয়ে থাকে। এছাড়া ১৮ বছরের কম বয়সী নির্ভরশীল সন্তানদেরও অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে আসার সুযোগ রয়েছে।এই নতুন উদ্যোগের প্রেক্ষাপটে কট্টর ডানপন্থী ওয়ান নেশন পার্টির সমর্থন সাম্প্রতিক জনমত জরিপে বাড়ছে। দলটি চলতি সপ্তাহে জানিয়েছে, তারা তিন বছরে অস্থায়ী অভিবাসীর সংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজার কমিয়ে অস্ট্রেলীয়দের জন্য ‘স্বস্তির জায়গা’ তৈরি করতে চায়।‘অস্ট্রেলিয়া ফার্স্ট’ নীতির আওতায় ওয়ান নেশন প্রাথমিক তিন বছরের মধ্যে নিট বিদেশি অভিবাসন বছরে ১ লাখ ৩০ হাজারে সীমিত রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। দলটির প্রস্তাবিত কর্মসূচি প্রতিবছর পর্যালোচনা করা হবে। তাদের কিছু নীতির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির তুলনা করা হয়েছে।অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বৃদ্ধির পেছনে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, ব্যাকপ্যাকার এবং অস্থায়ী দক্ষ কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রায় দুই বছর পর কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সীমান্ত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার পর দেশটি পুনরায় সীমান্ত খুলে দেয় এবং অভিবাসনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।তবে গত দুই বছর ধরে এই সংখ্যা কমার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। একই সময়ে সমালোচকেরা দাবি করে আসছেন, অভিবাসীদের বড় প্রবাহ দেশটির আবাসন ও অবকাঠামোর ওপর চাপ বাড়িয়েছে এবং সামাজিক সংহতিতেও চাপ সৃষ্টি করেছে।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া বছরে অস্ট্রেলিয়ার নিট বিদেশি অভিবাসন ছিল ৩ লাখ ৬ হাজার। এর অর্ধেকেরও বেশি ছিলেন বিদেশি শিক্ষার্থী। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ২৯ হাজার। এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৩ সালে, নিট অভিবাসন সর্বোচ্চ ৫ লাখ ১৮ হাজারে পৌঁছেছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *