নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের দুটি কক্ষে বসেই টিকাদানসহ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। ভবনটি ভাঙচুরের পর সোমবার সকাল থেকে সংস্কারকাজও শুরু হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা পর্যন্ত কেন্দ্রটিতে ৫০ জন শিশুকে এমআর টিকা দেওয়া হয়েছে।
সকাল থেকেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কর্মীরা কেন্দ্রটির ভাঙচুর হওয়া ভবনের ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে সংস্কারকাজ শুরু করেন। উপড়ে ফেলা গাছ, ভাঙা টিনের চালা ও কংক্রিটের স্তূপ অপসারণ করে এলাকা পরিষ্কার করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংযোগের লাইন সংস্কারের কাজও শুরু হয়েছে।
রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার বলেন, সরকারের উদ্যোগে কেন্দ্রটির কার্যক্রম পুনরায় সচল করার কাজ শুরু হওয়ায় তারা আশাবাদী। তবে ভবিষ্যতে যাতে কোনো দুষ্কৃতকারী হামলা চালিয়ে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ব্যাহত করতে না পারে, সে জন্য স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, হামলায় কেন্দ্রটির ভবন, চিকিৎসা সরঞ্জামসহ বিভিন্ন স্থায়ী সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারলে গত ৫০ বছর ধরে এলাকার নারী, শিশু ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য চলমান স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকরভাবে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।
এর আগে রোববার ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ঘোষণা দেন, সোমবার থেকেই কেন্দ্রটির সংস্কারকাজ শুরু হবে। স্বাস্থ্যসেবা যাতে একদিনের জন্যও বন্ধ না থাকে, সে লক্ষ্যে ব্যক্তিগত উদ্যোগে দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে বলেও তিনি জানান।