সরকারি আবাসন বরাদ্দে এবার শতভাগ অনলাইন: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির নতুন যুগের সূচনা:গৃহায়ণ মন্ত্রী

মোঃ আনজার শাহ

সরকারি আবাসন বরাদ্দে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও গতিশীলতা নিশ্চিত করতে শতভাগ অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রমের আওতায় প্রথম বরাদ্দ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। ‘অটোমেটিক অ্যালোকেশন সিস্টেম’-এর মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ থেকে বরাদ্দ প্রক্রিয়া পর্যন্ত সার্বিক কার্যক্রম এখন ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়ায় পরিচালিত হবে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর এ ব্যবস্থাকে সরকারি সেবা আরও সহজ, আধুনিক, জনবান্ধব ও কার্যকর করার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রযাত্রা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এমপি, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এমপি এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে ‘অটোমেটিক অ্যালোকেশন সিস্টেমের’ মাধ্যমে সরকারি আবাসনের আবেদন গ্রহণ, আবেদন ব্যবস্থাপনা এবং বরাদ্দ প্রক্রিয়ার সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে বরাদ্দের প্রতিটি ধাপে ডিজিটাল প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আবেদন গ্রহণ থেকে বরাদ্দের বিভিন্ন পর্যায়ে অনলাইন ব্যবস্থাপনা চালুর মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমানো, কাজে গতি আনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি সুদৃঢ় করার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়।
প্রযুক্তিনির্ভর এ কাঠামোয় সরকারি আবাসন বরাদ্দ প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল, নিয়মতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সরকারি আবাসন বরাদ্দের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবায় শতভাগ অনলাইন কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ প্রশাসনিক আধুনিকায়নের একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। এ ব্যবস্থায় বরাদ্দ প্রক্রিয়া আরও সহজে ব্যবস্থাপনাযোগ্য ও জনসেবামুখী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
একই সঙ্গে সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিকদের আস্থা বাড়াতেও এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এমপি বলেন, শতভাগ অনলাইন ব্যবস্থার কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে সেবার মানোন্নয়নের পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে।
তিনি আশা করেন, এ উদ্যোগ ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করবে এবং আধুনিক, জনবান্ধব ও দায়িত্বশীল প্রশাসন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *