নিজস্ব প্রতিবেদক:
এসআরবি (সাবেক র্যাব)-এর টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ আসামির বিরুদ্ধে নির্ধারিত সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষী উপস্থিত না থাকায় প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়। আগামী ১৩ অক্টোবর এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, এদিন মামলার সপ্তম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ে সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সময় চাওয়া হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
মামলায় ১৭ আসামির মধ্যে বর্তমানে ১০ জন গ্রেপ্তার হয়ে ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেলে রয়েছেন। তারা হলেন—এসআরবি (সাবেক র্যাব)-এর সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), এসআরবি (সাবেক র্যাব)-এর গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।
অন্যদিকে মামলার সাত আসামি পলাতক রয়েছেন। তারা হলেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, এসআরবি (সাবেক র্যাব)-এর সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, এসআরবি (সাবেক র্যাব)-এর সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ এবং এসআরবি (সাবেক র্যাব)-এর সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।
টিএফআই সেলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা করা হয়েছে।