এ আর সুমন:
মানুষের পাশে থাকা, অসহায়ের মুখে হাসি ফোটানো এবং এলাকার উন্নয়নে নিজেকে নিবেদিত রাখাই যেন তাঁর জীবনের অন্যতম অঙ্গীকার। জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার (১নং) দেওঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আক্তার হোসেন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে।
সুখে-দুঃখে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন তিনি। মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি ও ইউনিয়ন পরিষদের সেবা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়নে তাঁর নানা উদ্যোগ ও কার্যক্রমের কারণে স্থানীয়দের কাছে তিনি একজন মানবিক, জনবান্ধব ও সেবামুখী জনপ্রতিনিধি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের কল্যাণকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন চেয়ারম্যান মোঃ আক্তার হোসেন। ইউনিয়নের বয়স্ক নাগরিকদের জন্য বয়স্ক ভাতা, বিধবা নারীদের জন্য বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য প্রতিবন্ধী ভাতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় প্রকৃত সুবিধাভোগীরা যাতে তাঁদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা পান, সে বিষয়েও তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
শুধু সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিই নয়, দেওঘর ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নেও রয়েছে তাঁর বিশেষ নজর। ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাট, কালভার্টসহ নানা অবকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের চলাচলের সুবিধা বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অবকাঠামোকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এসব উদ্যোগের ফলে ইউনিয়নের মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
চেয়ারম্যান মোঃ আক্তার হোসেনের অন্যতম লক্ষ্য ইউনিয়ন পরিষদের সেবা যেন সাধারণ মানুষ সহজে, স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং হয়রানিমুক্ত পরিবেশে গ্রহণ করতে পারেন।
এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি ইউনিয়ন পরিষদকে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট রয়েছেন। সাধারণ মানুষের অধিকার ও প্রাপ্য সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিষদের কার্যক্রমে জবাবদিহিতা ও সেবার মান বজায় রাখার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।
দেওঘর ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, উন্নয়নের এই ধারা আগামী দিনগুলোতে আরও বেগবান হবে। এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার অগ্রগতি এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে চেয়ারম্যান মোঃ আক্তার হোসেন ভবিষ্যতেও আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবেন, এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় পরিচয় তাঁর জনসম্পৃক্ততা, মানবিকতা এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা। আর সেই দায়বদ্ধতা থেকেই মানুষের পাশে থাকার নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন চেয়ারম্যান মোঃ আক্তার হোসেন।
জনসেবায় নিবেদিত থাকা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং উন্নয়নের পথে দেওঘর ইউনিয়নকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়ে কাজ করে যাওয়ায় স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি আজ মানবতার চেয়ারম্যান হিসেবে একটি বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছেন।