দৌলতপুরে ভূমিদস্যু ফরহাদ গংয়ের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম:

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার খলশী ইউনিয়নের খলশী গ্রামের প্রবাসী মো. জুমাত আলীর স্ত্রী মোছা. সীমা বেগম ৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে তিনি স্থানীয় প্রভাবশালী ফরহাদ খান, রবিন খান, ফরিদ খান, বাদশা খান, সোহেল খান, মহিদুর খানসহ অজ্ঞাত আরও চার–পাঁচজনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করেন।

অভিযোগে সীমা বেগম জানান, আওয়ামী দোসর ফরহাদ গংয়ের চক্র পুকুরের চালা না দিয়ে এবং অবৈধ ভেকু মেশিন ব্যবহার করে প্রবাসীর বাড়ির একতলা ভবনের গা ঘেঁষে প্রায় দুই শতাংশ জমি থেকে মাটি কেটে নেয়। পরে এসব মাটি অবৈধ হাইড্রোলিক ট্রাক্টরে পরিবহন করতে গিয়ে গ্রামীণ রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়—যা সরকারি কোটি টাকার সম্পদের অপচয় হচ্ছে এবং তার বসতবাড়ি ভেঙে পড়ছে। বিষয়টি আদালতের রায় অমান্য করে নির্মাণকাজে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক বাধা প্রদান করে আসছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

এর ফলে প্রবাসীর স্ত্রী সীমা বেগমের বসতবাড়ির একতলা ভবনে গুরুতর ফাটল দেখা দেয় এবং এতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে তিনি দাবি করেন। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনায় মেরামতের উদ্যোগ নিলে অভিযুক্ত চক্ররা তার নিকট পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দেওয়ায় বাড়িটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এবং তিন সন্তানসহ তিনি চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

সীমা বেগম অভিযোগ করেন, এর আগের অভিযোগেও কোনো প্রতিকার পাননি। তিনি বলেন,
“প্রশাসনের প্রতি আস্থা রেখেই আবারও অভিযোগ করেছি। আর নয় আতঙ্ক, আর নয় ভয়—আমি শুধু আমার নিজের বাড়িতে থাকতে চাই।”

এ বিষয়ে মুঠোফোনে ফরহাদ বলেন, দায়সারা কথা বলে এড়িয়ে যান। বাকি বিবাদীদের ফোন না থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *