আবদুল আজিজ:
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় দুই মোটরসাইকেলের ধাক্কায় দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। এ সময় সাতকানিয়া জনপদে কর্মরত দুই সংবাদকর্মীসহ আরও একজন আহত হয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের সীমান্তিক এলাকায়, হরিণ তোঁয়া সংলগ্ন রাস্তায়।
নিহতরা হলেন—বান্দরবান জেলার আর্মিপাড়ার ৭নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ তৌহিদ (২৮), পিতা: ইউনুস, স্থায়ী বাড়ি আনোয়ারা। তিনি বান্দরবানের মাছ ব্যবসায়ী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অপরজন নাজমুল (৩০), আর্মি পাড়ার বাসিন্দা, পিতা: মোঃ মফিজ, স্থায়ী বাড়ি কিশোরগঞ্জ। তিনি বান্দরবানে বিস্কুট বিক্রেতা হিসেবে কাজ করতেন।
আহতরা হলেন মোহাম্মদ কাদের, আর্মি পাড়ার ৭নং ওয়ার্ডের মুদি দোকানি ও কাদের স্টোরের মালিক, এবং দুই সংবাদকর্মী—সাতকানিয়া বাংলা টিভির প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম ও খবরের কাগজের সাতকানিয়া প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম। স্থানীয় সূত্র ও পথচারীদের তথ্যে জানা যায়, দুর্ঘটনার সময় সাইফুল ইসলাম ফেসবুক লাইভে এসে পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমরা কয়েকটি মোটরসাইকেল হরিণ তোঁয়া রোড হয়ে বের হয়ে অন্যান্য বাইকের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। এ সময় বান্দরবান থেকে দ্রুত আসা তিন বাইক আরোহী (চট্টমেট্রো-ল২১৭৩২২) মুখোমুখি হলে ছিটকে পড়েন। একই সময় পূর্বালী পরিবহনের একটি বাস (নং ১১০০৮২) কেরানীহাট থেকে বান্দরবানের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল।”
স্থানীয়রা জানান, পূবালী পরিবহনের ওই বাস সীমান্তিক এলাকা দিয়ে ডালুর দিকে নামার সময় হরিণ তোঁয়া থেকে আসা মোটরসাইকেলের সাথে তিন মোটরসাইকেল আরোহীর সংঘর্ষ ঘটে। এতে দুইজন ঘটনাস্থলেই বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা যান। গুরুতর আহত কাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মাহমুদ কাওসার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “ঘাতক বাসটিকে আটক করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”