মোহাম্মদ হোসেন হ্যপী:
গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলমকে উদ্দেশ্য করে কঠোর সমালোচনামূলক বার্তা দিয়েছেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আঃ বারী ভূঁইয়া। দল থেকে বহিষ্কৃত এই দুই নেতার বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাদের সঙ্গে বিএনপির বর্তমানে কোনো সম্পর্ক নেই।
গত বুধবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে অ্যাডভোকেট বারী ভূঁইয়া নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের ভোটারদের সতর্ক করেন।
বিভ্রান্তিকর প্রচারণার প্রতিবাদ
তিনি জানান, নির্বাচনী এলাকায় ‘হরিণ’ ও ‘ফুটবল’ মার্কার পক্ষে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিমূলক মাইকিং করা হচ্ছে। প্রচারণায় দাবি করা হচ্ছে যে, এসব মার্কায় ভোট দিলে তা সরাসরি ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে যুক্ত হবে। বারী ভূঁইয়া এই বক্তব্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন।
ফেসবুক পোস্টে যা বলা হয়েছে:
-
বহিষ্কারের বিষয়টি স্পষ্টকরণ: শাহ আলমের প্রতীক ‘হরিণ’ এবং মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনের প্রতীক ‘ফুটবল’। এই দুজনেই বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত। তাদের সঙ্গে দলের কোনো সাংগঠনিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই।
-
ভোটের হিসাব: তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ‘হরিণ’ বা ‘ফুটবল’ মার্কায় ভোট দিলে তা কোনোভাবেই ধানের শীষে যুক্ত হবে না।
-
প্রকৃত প্রার্থী ও প্রতীক: অ্যাডভোকেট বারী ভূঁইয়া আরও জানান, বিএনপি জোটের মনোনীত প্রকৃত প্রার্থী হলেন মনির হোসেন কাসেমী, যার প্রতীক ‘খেজুর গাছ’। ‘খেজুর গাছে’ ভোট দিলেই তা জোটের স্বার্থে ধানের শীষের সমতুল্য বলে গণ্য হবে।
আইনি ব্যবস্থা ও পটভূমি
বিভ্রান্তি ছড়ানোর দায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অচিরেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার দায়ে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন এবং জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাহ আলমকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।