সাঈদ হাসান সানি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ফরিদুল কবির তালুকদার (শামীম) প্রতি ভোটকেন্দ্রেই ফলাফলে প্রথম হয়েছেন।
৮৮টি কেন্দ্র থেকে পাওয়া ফলাফল ও পোস্টাল ভোটের ফলাফলে শামীম তালুকদার ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪০৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী অ্যাড. মো. আব্দুল আওয়াল পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৯৪৭ ভোট। এতে বিজয়ের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৪৫৯ ভোট।
জামায়াতের প্রার্থী আওয়ালের নিজ এলাকা আরামনগর মাদরাসা কেন্দ্রেও শামীম এগিয়ে ছিলেন, যেখানে তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৭১৪ ভোট, আব্দুল আওয়াল পেয়েছেন ৫৫২ ভোট।
এদিকে জামালপুরের পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
প্রতি ভোটকেন্দ্রেই শামীম তালুকদার প্রথম হওয়ায় বিএনপি নেতারা মনে করছেন, প্রতিটি কেন্দ্রে বিজয় স্থানীয় জনগণের ব্যাপক আস্থা ও সমর্থনের প্রতিফলন। সরিষাবাড়ীতে শামীমের সাংগঠনিক শক্তি ও জনপ্রিয়তার প্রমাণ।
বিজয়ী প্রার্থী ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম বলেন, জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন আমার জন্য বিশাল দায়িত্ব। এই বিজয় আমার একার নয়—এটি সরিষাবাড়ীর সর্বস্তরের মানুষের বিজয়। আপনারা যে দায়িত্ব আমার ওপর অর্পণ করেছেন, তা আমি আমানত, সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পালন করার দৃঢ় অঙ্গীকার করছি। আজ থেকে আমরা গড়ে তুলব একটি শান্তিপূর্ণ, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও উন্নত সরিষাবাড়ী—আমাদের সবার প্রিয় “শান্তির সরিষাবাড়ী”। আমি দল-মত নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। সরিষাবাড়ীর উন্নয়ন, সম্প্রীতি ও অগ্রগতিই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
জামালপুর-৪ আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে ৪ জন প্রার্থীরই জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
প্রাপ্ত ভোটের হার প্রয়োজনীয় সীমার নিচে থাকায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আলী আকবর ১ হাজার ৩০২ ভোট পেয়েছেন, গণ অধিকার পরিষদের মো. ইকবাল হোসেন পেয়েছেন ৩৮৩টি, নাগরিক ঐক্যের মো. কবির হাসান ৩৭৯ ভোট পেয়েছেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. মাহবুব জামান জুয়েল ১ হাজার ৩১৪ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে মোট বৈধ ভোট ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩১টি।