মোঃ আনজার শাহ:
রাজধানীর গুলশানে গত(০৮ মার্চ ২০২৬) এক আনন্দঘন ও প্রাণবন্ত পরিবেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং কুমিল্লা-০৮ বরুড়া আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য জনাব জাকারিয়া তাহের সুমন। এ সময় মন্ত্রীর সহধর্মিণীও তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন।
শুভেচ্ছা বিনিময় ও কুশল আলাপের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাৎটি রাজনৈতিক ও উন্নয়নের দৃষ্টিকোণ থেকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বরুড়া উপজেলাসহ কুমিল্লা-০৮ আসনের দীর্ঘদিনের অবহেলিত রাস্তাঘাট সংস্কার, নতুন সেতু নির্মাণ, সরকারি আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সামগ্রিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিস্তারিত চিত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। এলাকার মানুষের দীর্ঘপোষিত প্রত্যাশা ও ন্যায্য দাবির কথা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপনের এই সুযোগকে অত্যন্ত কার্যকর ও ফলপ্রসূ বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই মন্ত্রী সুমন নিজ এলাকার উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে রেখে কাজ শুরু করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই সাক্ষাতের ফলে বরুড়ার উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দ ও প্রকল্প অনুমোদনের পথ আরও সুগম হবে। নতুন সড়ক অবকাঠামো, আধুনিক সেতু, সরকারি ভবন নির্মাণসহ নগর উন্নয়নের একটি বৃহত্তর পরিকল্পনা এখন বাস্তবে রূপ নেওয়ার অপেক্ষায়।
স্থানীয় জনগণের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ ও প্রত্যাশার ঢেউ বইছে। তাঁরা বিশ্বাস করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নিরলস পরিশ্রম ও আন্তরিক প্রচেষ্টার সমন্বয়ে বরুড়া অচিরেই একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও পরিকল্পিত জনপদ হিসেবে নতুন পরিচয় লাভ করবে।
উল্লেখ্য, জনাব জাকারিয়া তাহের সুমন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সর্বদা তৃণমূলের মানুষের পাশে থেকে নিষ্ঠার সঙ্গে দলীয় দায়িত্ব পালন করেছেন। একজন একনিষ্ঠ সংগঠক থেকে মন্ত্রিত্বের আসনে তাঁর এই উত্তরণকে বরুড়াবাসী তাঁদের নিজেদেরই অর্জন বলে মনে করছেন। লাখো মানুষের স্বপ্ন ও প্রত্যাশার ভার বুকে নিয়ে মন্ত্রী সুমন যে পথচলা শুরু করেছেন, তা বরুড়ার ইতিহাসে এক নতুন ও স্মরণীয় অধ্যায় রচনা করবে বলেই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন এলাকার সচেতন নাগরিক সমাজ।