কামরুল ইসলাম:
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালিত হয়েছে।
রবিবার (৩ মে) দিবসটি উপলক্ষে কেরানীরহাটে মাহাফিল রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংস্থার সভাপতি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক ও সাংবাদিক নেতা জিএম মাহাফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মোঃ নুরুল আলম কোম্পানি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট এবং দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার কামরুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সালাউদ্দিন আহমেদ, লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির নেতা ও সংগঠনের সদস্য সচিব দিদার এলাহী, লোহাগাড়া উপজেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মিনহাজ নুর, আমিরাবাদ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থী খোরশেদ আলম, সাতকানিয়া উপজেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি মামুনুর রশিদ (মামুন), সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ এবং সাবেক সভাপতি আজমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে নুরুল আলম কোম্পানিকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এ সময় বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ছিল— ‘শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা’।
এ উপলক্ষে সকাল ৯টায় কেরানীরহাটের মাহাফিল রেস্টুরেন্ট থেকে একটি তথ্য র্যালি বের করা হয়। পরে সকাল সাড়ে ৯টায় কেরানীরহাট হাইওয়ে সড়কে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। পাশাপাশি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
উল্লেখ্য, ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ ৩ মে-কে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে স্বাধীন সাংবাদিকতার নীতিমালা রক্ষা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ প্রতিরোধ এবং দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো সাংবাদিকদের স্মরণ করা হয় এ দিনে।
বাংলাদেশেও দিবসটি উপলক্ষে স্বাধীন সাংবাদিকতার অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়েছে।