খসরু মৃধা:
গাজীপুরের কালীগঞ্জে অনুমতি ছাড়া কৃষিজমি থেকে মাটি কাটার অভিযোগে পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এ অভিযানে তুমলিয়া, বক্তারপুর, জাঙ্গালীয়া ও মোক্তারপুর ইউনিয়নে মোট ৪টি মামলায় ১ জনকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩ জনকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জানা যায়, বুধবার (৬ মে) সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সরওয়ার লিমা তুমলিয়া ইউনিয়নের বরিহাটি এলাকায় যমুনা স্পেসটেক জয়েন্ট ভেঞ্চার লিমিটেডে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় অনুমতি ছাড়া শীতলক্ষ্যা নদীর সীমায় মাটি কাটা ও স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির এইচআর অ্যাডমিন মো. সুজাত উদ্দিনকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০-এর ১৫(১) ধারায় ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
পরে একই দিন বক্তারপুর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাঁও সরদারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় জনশৃঙ্খলা বিঘ্নের অপরাধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আফসার উদ্দিনের ছেলে মো. জহিরুল ইসলামকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
অন্যদিকে মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এটিএম কামরুল ইসলাম জাঙ্গালীয়া ইউনিয়নের ছাতিয়ানী এবং মোক্তারপুর ইউনিয়নের রাথুরা এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় অনুমতি ছাড়া কৃষিজমি থেকে মাটি কাটার অপরাধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০-এর ১৫(১) ধারায় ছাতিয়ানী গ্রামের ইউসুফ আলী খন্দকারের ছেলে সামশুল হক খন্দকারকে ২ লাখ টাকা এবং রাথুরা গ্রামের আকবর আলীর ছেলে কাজী আমজাদ হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
যমুনা স্পেসটেক জয়েন্ট ভেঞ্চার লিমিটেডের এইচআর অ্যাডমিন মো. সুজাত উদ্দিন বলেন, “উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সরওয়ার লিমা আমাদের প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এ সময় অনুমতি ছাড়া শীতলক্ষ্যা নদীর সীমায় মাটি কাটা ও স্থাপনা নির্মাণ চলমান থাকায় ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।”
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সরওয়ার লিমা বলেন, “বরিহাটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০-এর ১৫(১) ধারায় ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”