রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ‘চাঁদা না পেয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন মুরসালিন’


​শফিকুল ইসলাম :
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে কৃষি জমির ‘টপ সয়েল’ নিধনের কাল্পনিক অভিযোগ এনে ব্যবসায়ী কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কামরুজ্জামান। তিনি দাবি করেছেন, প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন। মূলত দলীয় প্রভাব খাটিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি এবং ব্যবসা নষ্ট করার হীন উদ্দেশ্যেই মুরসালিন ইসলাম নামের এক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

​এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান বলেন, মুরসালিন ইসলাম আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছেন, তা সম্পূর্ণ সাজানো। মূলত মুরসালিন আমার কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তিনি আমার ব্যবসা নষ্ট করার পাঁয়তারা করছেন এবং দলীয় প্রভাব খাটিয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি প্রদান করছেন।

​অডিও ক্লিপ বিকৃতির অভিযোগ নাকচ করে কামরুজ্জামান আরও বলেন,
​মুরসালিন ইসলাম যে আমার কাছে চাঁদা দাবি করেছেন, তার পর্যাপ্ত ও অকাট্য প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। সেই সময়ের কল রেকর্ড এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যই প্রমাণ করে কে প্রকৃত অপরাধী। অডিও ক্লিপে কোনো মেকানিজম করা হয়নি, বরং তার নিজের কণ্ঠেই চাঁদা চাওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট।

​মাদক ব্যবসা ও অবৈধ সম্পদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন
​সংবাদে কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা এবং রাতারাতি কোটিপতি বনে যাওয়ার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তাকে সম্পূর্ণ হাস্যকর ও মানহানিকর বলে উল্লেখ করেন তিনি। কামরুজ্জামান জানান, তিনি কঠোর পরিশ্রম ও বৈধ ব্যবসার মাধ্যমে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছেন। তার শ্বশুর পক্ষ বা তার নিজের কোনো ধরনের অবৈধ ব্যবসার সাথে দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। শুধুমাত্র সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই একটি চিহ্নিত মহল মুরসালিনকে ইন্ধন জোগাচ্ছে।

​ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমি কোনো অবৈধ কাজের সাথে জড়িত নই। মুরসালিন ইসলাম নিজের অপরাধ ঢাকতে এবং আমাকে অর্থনৈতিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয়ের অপব্যবহার করছেন। আমি প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি, যেন পুরো বিষয়টি অত্যন্ত সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং গভীরভাবে তদন্ত করা হয়। তদন্ত করলেই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে এবং মুরসালিনের চাঁদাবাজির প্রকৃত সত্য উন্মোচিত হবে।
​তিনি এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা সংবাদের বিভ্রান্তিতে না পড়ার জন্য প্রশাসন ও সর্বস্তরের জনগণকে অনুরোধ জানিয়েছেন এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মানহানি করার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *