সিএমপি কমিশনারের ‘ওপেন হাউজ ডে’-তে সেবা নিলেন সেবাপ্রত্যাশীরা

কামরুল ইসলাম:

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনারের ‘ওপেন হাউজ ডে’-তে বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগ নিয়ে উপস্থিত হয়ে সেবা নিয়েছেন নগরীর সেবাপ্রত্যাশীরা। এ সময় তাদের বক্তব্য শুনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দামপাড়াস্থ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ সম্মেলন কক্ষে পূর্বঘোষিত ‘ওপেন হাউজ ডে’ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী উপস্থিত সেবাপ্রত্যাশীদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন। বিভিন্ন অভিযোগ, সমস্যা ও সেবাসংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে অবহিত হয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

ওপেন হাউজ ডে-তে অংশ নেওয়া কয়েকজন সেবাপ্রত্যাশী তাৎক্ষণিকভাবে নিজেদের সমস্যার সমাধান পাওয়ায় পুলিশ কমিশনারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তারা এ ধরনের উদ্যোগের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া (অতিরিক্ত ডিআইজি), উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. হাবিবুর রহমান প্রাং (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) শেখ শরীফুল ইসলাম (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) নেছার উদ্দিন আহম্মেদ, পিপিএম (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত)।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-পশ্চিম) নিষ্কৃতি চাকমা, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. হাসান মোস্তফা স্বপন, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) মোহাম্মদ লিয়াকত আলী খান, পিএসসি, উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. রইছ উদ্দিন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সিএসবি) মো. গোলাম রুহুল কুদ্দুস, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-বন্দর) কবীর আহম্মেদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) মো. আমিরুল ইসলাম এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) মো. আলমগীর হোসেনসহ সিএমপির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ওপেন হাউজ ডেতে নগরীর বিভিন্ন এলাকার সেবাপ্রত্যাশী ও সম্মানিত নাগরিকরাও উপস্থিত ছিলেন। এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে পুলিশ ও নাগরিকদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *