আমির হোসেন, ঝালকাঠি প্রতিবেদক:
ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতসহ জেলার বিভিন্ন আদালতে সরকারি আইন কর্মকর্তা হিসেবে জিপি, পিপি, অতিরিক্ত পিপি, এজিপি ও এপিপি পদে ২৬ আইনজীবীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব পদে আগে নিয়োগপ্রাপ্ত সরকারি আইন কর্মকর্তাদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের (জিপি-পিপি শাখা) সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ফারুক হোসাইন স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
নিয়োগপত্র অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবীরা ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং এর অধীন অন্যান্য আদালত, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
নতুন নিয়োগ অনুযায়ী, ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) হয়েছেন অ্যাডভোকেট মাহাবুব আলম কবির। একই আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) পদে পুনর্নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট মাহেব হোসেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. ফয়সাল খানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এডিশনাল পিপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. হুমায়ুন কবীর বাবুল, মো. সোহেল আকন, খান শহিদুল ইসলাম, মোবাশ্বের আলী ভূইয়া ও মুন্সি রেজাউল হক আজিম।
সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এজিপি) পদে নিয়োগ পেয়েছেন এমএ হানিফ, মু. আহসান খান, সাকিনা আলম লিজা, মো. শাহআলম মল্লিক ও জহিরুল হক খোকন।
এ ছাড়া সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) পদে নিয়োগ পেয়েছেন মো. নুর হোসেন, আনিসুর রহমান খান, এসএম জসিম উদ্দিন, বাহাউদ্দিন হাসান অলি, শামীম আকন, সাকিনা আলম লিজা, মিজানুর রহমান মুবিন, শাখাওয়াত হোসেন রাজু, মুশফিকুর রহমান বাবু, ফিরোজ হোসাইন ও উম্মে সালমা।
নিয়োগসংক্রান্ত আদেশে পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সব সরকারি আইন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবীরা সংশ্লিষ্ট আদালতগুলোতে সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা ও অন্যান্য আইনি কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন।