নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত সাফল্য শুধু একাডেমিক উৎকর্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নৈতিকতা, মূল্যবোধ, সততা ও দায়িত্ববোধসম্পন্ন মানবসম্পদ গড়ে তোলার মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত সাফল্য নিহিত।
রোববার (৩০ আগস্ট) মিরপুর সেনানিবাসে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) পশ্চিম ক্যাম্পাসে তিনটি নতুন ভবনের উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাপ্রধান শিক্ষা ও গবেষণায় বিইউপির অগ্রগতির প্রশংসা করেন। আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি, গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বিইউপির উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর জানায়, নবনির্মিত ভবনগুলোর উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে তিনি বিইউপির পশ্চিম ক্যাম্পাস ও শিক্ষার্থীদের আবাসিক এলাকা পরিদর্শন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল পর্ব অনুষ্ঠিত হয় বিইউপির স্বাধীনতা মিলনায়তনে। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মাহবুব-উল আলম। তিনি শিক্ষা, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার প্রসারে বিইউপির অব্যাহত অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
উপাচার্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মাহবুব-উল আলমের লেখা ‘Educating Minds; Awakening Conscience’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। পরে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারী বিইউপির ১৪টি শিক্ষার্থী দলকে পুরস্কৃত করা হয়।
উল্লেখ্য, বিইউপি পশ্চিম ক্যাম্পাসের নবনির্মিত তিনটি ভবন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য আধুনিক শিক্ষা, গবেষণা ও সৃজনশীল চর্চার সুযোগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বিইউপি সিনেটের সদস্য, সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, বিইউপির সাবেক উপাচার্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।