ইসরায়েলে আরব অধ্যুষিত এলাকায় ভোটগ্রহণে ইচ্ছাকৃত বিলম্বের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইসরায়েলে আরব অধ্যুষিত এলাকার একাধিক ভোটকেন্দ্রে ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটগ্রহণে বিলম্ব করার অভিযোগ উঠেছে। এতে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক ভোটার ভোট দিতে পারছেন না বলে জানিয়েছে নাগরিক অধিকারবিষয়ক একটি সংগঠন।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবার রেকর্ডসংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বের হয়েছেন। আরব অধ্যুষিত শহরগুলোতেও ভোটারদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি দেখা গেছে।

‘দ্য অ্যাসোসিয়েশন ফর সিভিল রাইটস ইন ইসরায়েল’ নামের একটি সংস্থা জানিয়েছে, আরব অধ্যুষিত এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে অস্বাভাবিক ধীরগতিতে ভোটগ্রহণের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত অনেক আরব ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

সংস্থাটির দাবি, ভোটগ্রহণে এই ধীরগতি নিছক অনিচ্ছাকৃত ঘটনা নয়; বরং এর পেছনে ইচ্ছাকৃত বিলম্বের ইঙ্গিত রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রগুলোতে দ্রুত পর্যবেক্ষক পাঠাতে ইসরায়েলের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা।

সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাহাত, তেল শেভা, লাকিয়া, সেগেভ সালোম, আবু তুলুল, উম বাতিন, ইকসাল, জালজুলায়া, কাফর কারা, জিসার ই-জারকা, কাফর মান্দা, আর’আরা, তামরা, কাফর কান্না, তিরা ও দাবুরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ধীরগতিতে ভোটগ্রহণ চলছিল।

এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছিলেন, বিপুলসংখ্যক আরব ভোটার ভোট দিতে বের হয়েছেন। তাঁরা নির্বাচনের ফলাফলে ব্যবধান গড়ে দিতে পারেন—এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে ইহুদি ভোটারদেরও ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।

তবে ভোটগ্রহণে ইচ্ছাকৃত বিলম্বের অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *