মনিরুল ইসলাম:
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ডাকাত আটকে পুলিশকে সহায়তা করার অভিযোগে উচিৎপুরা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মঞ্জুর খানকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার জাঙ্গালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে, ডাকাত সর্দার আলমগীরসহ পৃথক অভিযানে বিভিন্ন মামলার আরও চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার পাঁচজনকে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জাঙ্গালিয়া এলাকার একাধিক মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত ডাকাত সর্দার আলমগীরকে আটক করে পুলিশ। তাঁর আটকের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ছেলে রায়হান উচিৎপুরা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মঞ্জুর খানের বিরুদ্ধে পুলিশকে সহায়তা করার অভিযোগ তোলেন। এর জের ধরে রায়হান ধারালো অস্ত্র দিয়ে মঞ্জুর খানকে কুপিয়ে জখম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ সময় মঞ্জুর খানের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারী রায়হান পালিয়ে যান। পরে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা আহত মঞ্জুর খানকে উদ্ধার করে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
অন্যদিকে, পৃথক অভিযানে বিভিন্ন মামলার আরও চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা হলেন—পুরোনো মামলার আসামি কৃষ্ণপুরা এলাকার মুকুল হোসেনের ছেলে মো. সজিব হোসেন (২২), একই এলাকার মো. সোহাগের ছেলে মো. সবুজ মিয়া (২৪), সি/আর ওয়ারেন্টভুক্ত কল্যাণ্দী এলাকার মৃত ওসমান গনির ছেলে মো. মিজান এবং নাগেরচর এলাকার মনোরদ্দিনের ছেলে আ. ছাত্তার।
ডাকাত সর্দার আলমগীরসহ গ্রেপ্তার পাঁচজনকে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজলে হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।