মোঃআনজার শাহ
একটি মামলায় জামিন নিতে আদালতে এসে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম দিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি, এমন অভিযোগ তুলেছেন কুমিল্লার কৃতী সন্তান ও সাংবাদিক। তাঁর দাবি, ভিডিও ধারণের সময় পরীমনি তাঁর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন এবং ট্রাইপড ভেঙে ফেলেন। উল্টো পরীমনির পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে গায়ে হাত দেওয়ার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে দাবি করেছেন তিনি।
ওই সাংবাদিক জানান, পরীমনি একটি মামলায় জামিনের জন্য আদালতে এসেছিলেন। সংবাদ সংগ্রহের জন্য গণমাধ্যমকর্মীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। গাড়ি থেকে নেমে আদালতে ওঠার সময় তাঁরা পরীমনির ভিডিও ধারণ করেন। এ সময় পরীমনির সঙ্গে থাকা বডিগার্ডরা আক্রমণাত্মক আচরণ করে কয়েকজন সাংবাদিককে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সাংবাদিক বলেন, তিনি লিফটের পাশে অবস্থান নিয়ে পরীমনির ভিডিও ধারণ করছিলেন। লিফটে ওঠার সময় পরীমনি তাঁর মোবাইল ফোনে থাবা দেন। একপর্যায়ে ফোনটি ছিনিয়ে নিজের হাতে নিয়ে যান এবং তাঁর ট্রাইপড ভেঙে ফেলেন। পরে তিনি নিজের ফোন পরীমনির হাত থেকে ফিরিয়ে নেন।
জামিন শুনানির পর নিচে নেমে এসে তাঁকে দেখামাত্র পরীমনি তেড়ে আসেন বলে অভিযোগ করেন ওই সাংবাদিক। তাঁর দাবি, পরীমনি তাঁর গায়ে হাত দেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। তিনি বলেন, “পরীমনি যে অভিযোগ করছেন, আমি তাঁর গায়ে হাত দিয়েছি, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। বরং তিনিই আমার গায়ে হাত দিয়েছেন।” এর সপক্ষে অসংখ্য ফুটেজ ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলেও তিনি জানান।
সাংবাদিকের ভাষ্য, পরীমনির বিরক্তি শুধু তাঁর ওপর ছিল না। একাধিক স্থানে থাকা একাধিক সাংবাদিকের প্রতিই তিনি বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। কাউকে খামচি দিয়েছেন, আর তাঁর বডিগার্ডরা কাউকে কিলঘুষি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, “তাঁরা শিল্পী, আমরা সাংবাদিক। আমরা কাজের তাগিদেই সেখানে যাই। কিন্তু তাঁর আচরণ আমাদের খুবই হতাশ করেছে।” শিল্পী ও তাঁর বডিগার্ডদের এমন মারমুখী আচরণকে দুঃখজনক ও নিন্দনীয় বলে অভিহিত করেন তিনি।