জেলা প্রতিনিধি:
কক্সবাজারে শুল্ক ফাঁকি ও জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে বিদেশ থেকে গাড়ির যন্ত্রাংশ এনে সংযোজন করে তৈরি করা হয়েছে—এমন অভিযোগে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। জব্দ করা গাড়িগুলোর আমদানি ও মালিকানাসংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল ৪টায় কক্সবাজারের হোটেল ওশান প্যারাডাইসের হলরুমে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে চট্টগ্রামের একটি আবাসিক এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করার পর এর সূত্র ধরে কক্সবাজারেও অভিযান চালানো হয়। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোরে হোটেল ওশান প্যারাডাইসের পার্কিং এলাকা থেকে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করা হয়।
জব্দ করা গাড়িগুলোর মধ্যে রয়েছে—টয়োটা এম ক্রপ ২০২১ মডেলের লাল রঙের একটি গাড়ি, হোন্ডা ব্র্যান্ডের লাল রঙের একটি গাড়ি এবং ২০২০ মডেলের মাজদা ব্র্যান্ডের টুইন গ্রে রঙের একটি গাড়ি। তিনটি গাড়ির উৎপাদনকারী দেশ জাপান।
কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গাড়িগুলোর ব্যবহারকারীরা আমদানি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কিংবা গাড়ি কেনার বৈধ নথি দেখাতে পারেননি।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুল্ক ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণা, জালিয়াতি কিংবা চোরাচালানের মাধ্যমে গাড়িগুলো দেশে আনা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধানও চলছে।
জব্দ করা তিনটি গাড়ি বর্তমানে কক্সবাজার কাস্টমস কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। গাড়িগুলোর আনুমানিক মূল্য কোটি টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।