পলাশবাড়ী বাসস্ট্যান্ডে মহাসড়কের পাশে ইট-বালি-খোয়ার ব্যবসা

বেলাল চৌধুরী:

নবীনগর–চন্দ্র মহাসড়কের পলাশবাড়ী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে ইট, বালি ও খোয়া স্তূপ করে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। ব্যস্ত মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশের পাশে এভাবে নির্মাণসামগ্রী রেখে ব্যবসা পরিচালনা করায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলে নানা ধরনের ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পলাশবাড়ী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে ইট, বালি ও খোয়া স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। এসব নির্মাণসামগ্রী সড়কের পাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রাখায় স্বাভাবিক চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে পথচারী ও যানবাহনকে অতিরিক্ত সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হচ্ছে বলে দাবি তাদের।

তাদের আরও অভিযোগ, দিনের পর দিন মহাসড়কের পাশে নির্মাণসামগ্রী রেখে ব্যবসা পরিচালনা করা হলেও বিষয়টি যেন দেখার কেউ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবে এ ধরনের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চলতে পারছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

সড়কের পাশে ইট, বালি ও খোয়া স্তূপ করে রাখার কারণে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। পাশাপাশি নির্মাণসামগ্রী পরিবহন ও সরবরাহের সময় মহাসড়কের পাশে যানবাহন দাঁড় করানো হলে যান চলাচলে আরও বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে ব্যস্ত মহাসড়কের পাশে এভাবে নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের অনুমতি রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কার অনুমতি বা ব্যবস্থাপনায় মহাসড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে ইট, বালি ও খোয়া রেখে ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে—এ বিষয়েও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন রয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, মহাসড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে নির্মাণসামগ্রী স্তূপ করে রাখার বিষয়টি দ্রুত সরেজমিনে তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সড়কের নিরাপত্তা, পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল এবং যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তাদের মতে, সড়কের পাশে ব্যবসা পরিচালনার কারণে যদি জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয় বা দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়, তাহলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। দীর্ঘদিন ধরে চলমান এ পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী বা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *