মোঃআনজার শাহ
‘শেখ হাসিনাকে পাঠানো হয়েছে দিল্লি। জামায়াতে ইসলামী যদি সন্ত্রাসের পথ পরিহার না করে, তাহলে তাদেরও পাঠানো হবে করাচী’ এমন মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। একই পোস্টে তিনি কুষ্টিয়া জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে ধরেন।
হাসান আল মামুন তাঁর পোস্টে দাবি করেন, কুষ্টিয়া জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এভাবেই ভাঙচুর চালিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সংশ্লিষ্ট কোনো নেতার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর এই বক্তব্যকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক বিরোধ ও মতপার্থক্যকে সহিংসতার পরিবর্তে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মোকাবিলার বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে।
গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগের পাশাপাশি কঠোর রাজনৈতিক বার্তাও দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে ‘দিল্লি’ ও ‘করাচী’ প্রসঙ্গ ব্যবহারের মধ্য দিয়ে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিদেশি প্রভাব ও অতীতের রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতীকী ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।