সোনারগাঁয়ে আসামি ধরতে গিয়ে দুই পুলিশ সদস্য আহতের অভিযোগ, অস্বীকার পুলিশের

অনলাইন ডেস্ক:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রিপন মিয়াকে গ্রেফতার করতে গিয়ে দুই পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আহত পুলিশ সদস্যদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার মেঘনা থানার কুদরত আলীর ছেলে রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। সোমবার দুপুরে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে পুলিশ বৈদ্যেরবাজার খেয়াঘাট এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশ রিপন মিয়াকে গ্রেফতার করে। পরে তার সহযোগীরা পুলিশের ওপর হামলা করে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানার এসআই সুরুজ্জামান ও এএসআই হাসমত উল্লাহ আহত হন বলে জানা গেছে। পরে তাদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান দিগন্ত বলেন, বিকেল ৪টার দিকে দুই পুলিশ সদস্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের নাম হাসমত উল্লাহ।

তবে এএসআই হাসমত উল্লাহ হামলার ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, আসামি ধরতে গেলে তারা দৌড়ঝাঁপ করবেই। আসামি পালিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে চলে গেছে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলেও দাবি করেন তিনি।

এসআই সুরুজ্জামানও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, তারা তিনজন পুলিশ সদস্য বৈদ্যেরবাজার খেয়াঘাট এলাকায় দ্রুত বিচার মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান পরিচালনা করেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। তবে তাদের ওপর কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি।

সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না এবং ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

সোনারগাঁ থানার ওসি মহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, একজন আসামিকে গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। তবে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *