হংকং ও মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে গৃহায়ণমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

 

মোঃআনজার শাহ

বাংলাদেশের গৃহায়ণ ও অবকাঠামো খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে উন্মোচিত হলো বিদেশি বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তি ও পারস্পরিক সহযোগিতার এক নতুন দিগন্ত। এ উপলক্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, এমপির সঙ্গে ২৭ জুলাই এক আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ করে হংকং (চীন) ও মালয়েশিয়ার একটি প্রতিনিধি দল। বৈঠকে টেকসই উন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ, প্রযুক্তি বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে হয় ফলপ্রসূ আলোচনা, যা দেশের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত খাতে বয়ে আনছে নতুন সম্ভাবনার বার্তা।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা বিস্তারিত আলোচনা করেন বাংলাদেশের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত খাতের আধুনিকায়ন, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে। বৈঠকে গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আধুনিক ও টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের সম্ভাবনাময় বিভিন্ন ক্ষেত্র।
আলোচনায় স্থান পায় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, দক্ষতা উন্নয়ন, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ও। বিশেষভাবে বিশ্বমানের অবকাঠামো উন্নয়ন ও টেকসই নগরায়ণের লক্ষ্যে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উভয় পক্ষ।
হংকং (চীন) ও মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রশংসা করেন বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা এবং অবকাঠামো খাতের চলমান কার্যক্রমের। একই সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে নতুন নতুন বিনিয়োগ ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেন তাঁরা।
গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, টেকসই ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশের গৃহায়ণ ও অবকাঠামো খাতকে আরও সমৃদ্ধ ও যুগোপযোগী করে তোলার লক্ষ্যে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সুদৃঢ়ই করে না, বরং দেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। বিদেশি বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতেও এ ধরনের উদ্যোগ রাখবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
বিশ্লেষকদের ভাষ্যে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের কোনো বিকল্প নেই। হংকং (চীন) ও মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এই ফলপ্রসূ আলোচনা দেশের গৃহায়ণ ও অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলেই প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *