আল্লাহর সন্তুষ্টি ও মানুষের কল্যাণই হোক সংগঠনের কাজের লক্ষ্য: সাংবাদিক আব্দুল ওয়াদুদ

মোঃআনজার শাহ

মানুষের জীবনের প্রকৃত সার্থকতা কেবল ব্যক্তিগত অর্জনে নয়; বরং সৎকর্ম, মানবিকতা ও পরোপকারের মধ্য দিয়ে অন্যের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার মধ্যেই নিহিত। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, সঠিক পথে পরিচালিত হওয়া এবং মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সাংবাদিক মো. আব্দুল ওয়াদুদ। একই সঙ্গে তাঁর প্রিয় দুটি সংগঠন উষা ও অধ্যাপক মো. ইউনুস ফাউন্ডেশনের সব কার্যক্রম যেন মানুষের কল্যাণে নিবেদিত হয়, সে জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি।

সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সৎপথে চলা, সঠিক জ্ঞান অর্জন, যথাযথভাবে আমল সম্পাদন এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা রাখার তাওফিক কামনা করেন। এই প্রার্থনায় ব্যক্তিগত আত্মশুদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবকল্যাণের প্রত্যাশাও উঠে এসেছে।

পোস্টে তিনি লেখেন, “মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের হেদায়েত (সঠিক পথ) দান করুন। পরের হিতে কিছু করার তাওফিক দিন। আমলগুলো যেন জেনে বুঝে সঠিকভাবে আদায় করতে পারি, সেই জ্ঞান দান করুন। বিপদ-আপদে যেন একমাত্র আপনার ওপর নির্ভর করতে পারি, সেই মনোবল দান করুন। আমিন।”

উষা ও অধ্যাপক মো. ইউনুস ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, “আমাদের প্রিয় দুটি সংগঠন উষা এবং অধ্যাপক মো. ইউনুস ফাউন্ডেশনের সব কাজ যেন আপনার সন্তুষ্টি ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত হয়, উভয় সংগঠনের কর্মকর্তাদের সেই মনোবৃত্তি দান করুন। আমিন।”

তাঁর এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয়েছে, যেকোনো সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের উপকার করা এবং সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখা। সংগঠনের উদ্যোগ তখনই প্রকৃত অর্থে সার্থকতা পায়, যখন তার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখে।
মো. আব্দুল ওয়াদুদ দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে গণমাধ্যমে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য এবং দেশের সুপরিচিত ইংরেজি দৈনিক দ্য নিউ নেশন-এ কর্মরত।

সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজের নানা বাস্তবতা ও মানুষের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধের চর্চা সামাজিক অগ্রগতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাঁর প্রার্থনায় সৎকর্ম, আত্মশুদ্ধি ও জনকল্যাণের যে প্রত্যাশা প্রকাশ পেয়েছে, তা সামাজিক সংগঠনগুলোর দায়িত্ব ও উদ্দেশ্য নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করে।

মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা, সঠিক পথে চলার অঙ্গীকার এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রত্যাশা এই তিনটি বিষয়ই তাঁর বক্তব্যের মূল সুর। উষা ও অধ্যাপক মো. ইউনুস ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা যেন এসব মূল্যবোধ ধারণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন, সেই প্রার্থনাই জানিয়েছেন তিনি।
মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায়ের সহযোগিতায় এগিয়ে আসা এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার মধ্য দিয়েই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের প্রকৃত সার্থকতা ফুটে ওঠে। উষা ও অধ্যাপক মো. ইউনুস ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমও মানুষের কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ইতিবাচক অনুপ্রেরণা জোগাতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *