চকরিয়ায় ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে পলাতকসহ ৫ আসামি গ্রেফতার

মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম খোকন:

কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানা পুলিশ গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ বিভিন্ন মামলার মোট ৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) দিনব্যাপী চকরিয়া থানার আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন জিআর (General Register) মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি, সিআর (Court Register) মামলার ২ জন এবং জিআর মামলার আরও ২ জন আসামি রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার এ.এন.এম সাজেদুর রহমানের সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেনের তত্ত্বাবধানে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেফতার এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নুরে আলম মাসুম সিদ্দিকী। এ সময় তার সঙ্গে অভিযানে অংশ নেন এসআই ইসমাইল হোসেন, এএসআই জুয়েল বড়ুয়া, এএসআই গোলাম মোস্তফা, এএসআই জসিম উদ্দিন এবং এএসআই আমজাদ হোসেনসহ চকরিয়া থানার একটি চৌকস টিম। তারা দিন-রাত অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে আসামিদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সংশ্লিষ্টরা জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চকরিয়া থানার পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, ওয়ারেন্ট তামিল এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও জোরদার করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল পুলিশের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, নিয়মিত ও কার্যকর অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা কমানো সম্ভব হবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

সব মিলিয়ে, চকরিয়া থানার এই ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা আরও সহজ হবে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *