Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home/u102988081/domains/dailyswadhinsangbad.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
টানা বৃষ্টিতে বিচ্ছিন্ন সাজেক, লংগদুর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগও বন্ধ - দৈনিক স্বাধীন সংবাদ

টানা বৃষ্টিতে বিচ্ছিন্ন সাজেক, লংগদুর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগও বন্ধ

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক এবং রাঙ্গামাটির লংগদুর সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার (৮ জুলাই) সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও পাহাড়ধসের আশঙ্কাও বেড়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা-লংগদু সড়কের মেরং স্টিল ব্রিজ এলাকায় সড়কের ওপর পানি উঠে যাওয়ায় লংগদুর সঙ্গে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। একইভাবে বাঘাইহাট এলাকার নিচু অংশে সাজেকগামী সড়ক প্লাবিত হওয়ায় পর্যটনকেন্দ্র সাজেকের সঙ্গেও সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

পাহাড়ি ঢলে মহালছড়ি উপজেলার অন্তত দুটি নিচু এলাকায় সড়ক তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী এবং চাকরিজীবীদের হাঁটুসমান পানি ভেঙে চলাচল করতে হচ্ছে।

এদিকে টানা বর্ষণে চেঙ্গি, মাইনি ও ফেনী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। চেঙ্গি নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় খাগড়াছড়ি শহরের নিচু এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে লোকালয়ে পানি প্রবেশের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে। পাশাপাশি খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা ৮৩টি পরিবারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। জেলার অন্যান্য উপজেলায়ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ জানান, দীঘিনালা-লংগদু সড়কের মেরং স্টিল ব্রিজ এলাকা এবং দীঘিনালা-বাঘাইছড়ি সড়কের কবাখালী অংশে সড়কের ওপর পানি উঠে গেছে। এছাড়া বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক সড়কের কয়েকটি নিচু অংশ পানির নিচে থাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে সব ধরনের যানবাহন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

মেরং এলাকার বাসিন্দা মো. জাকির হোসেন বলেন, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে মাইনি নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। নদীর দুই তীরের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে এবং স্টিল ব্রিজসংলগ্ন কয়েকশ মিটার সড়ক পানির নিচে চলে গেছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে মেরং বাজারেও পানি ঢুকে পড়তে পারে।

মঙ্গলবার রাতে জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত জেলার কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, সম্ভাব্য বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবিলায় প্রশাসনের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে এবং পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এদিকে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ও বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে জেলা বিএনপির উদ্যোগে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *