পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় বায়েজিদ বোস্তামী থানার এসআই বাহার ও মহসিনের অভিযানে একজন গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার:

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ, গাজী মোঃ আইয়ুব খান, সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক, বিএনপি চট্টগ্রাম মহানগর, সভাপতি, কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত কমিটি ও পাঁচলাইশ ৩নং ওয়ার্ড নাসির উদ্দিন মহিলা কলেজের জিপি মেম্বার, সাং, এম এ সবুর আবাসিক এলাকা, মুরাদনগর, থানা-বায়েজিদ, চট্টগ্রাম।
পলাতক ব্যক্তি:
১। শহিদুল ইসলাম সাহেদ (২৮), পিতা-হারুনুর রশিদ বাদশা, সাং-হাশেমী হুজুরের বাড়ির পাশে, নাছির আহম্মদ চৌধুরী বাড়ি, থানা-বায়েজিদ।
২। গ্রেপ্তারকৃত রবিউল হাসান প্রঃ মিন্টু (২২), পিতা-রফিক, সৎপিতা-মোঃ ফারুক, সাং-বর্তমান মাইজপাড়া, করিমের বাড়ি, থানা-বায়েজিদ।
১ ও ২ নম্বর বিবাদী বাদীর পূর্বপরিচিত। গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখ বিকাল ৫ ঘটিকার সময় ১ ও ২ নম্বর ব্যক্তি বাদীকে ফোন করে বলেন, বায়েজিদ থানাধীন চাঁদনী সিনেমা হলের মোড়ে ওয়ালটন শোরুমের পাশে একটি বাড়ি বিক্রয় করা হবে। তাঁদের কথামতো বাদী উক্ত জায়গা দেখার জন্য সেখানে গেলে ১ ও ২ নম্বর ব্যক্তি বাড়িটি দেখানোর জন্য বাদীকে বিল্ডিংয়ের নিচতলায় নিয়ে যান। সেখানে উক্ত ব্যক্তিরা বাদীকে জোরপূর্বক রুমের ভিতরে আটকে রেখে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেন।
পরবর্তীতে ১ ও ২ নম্বর ব্যক্তিসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০–১২ জন লোক তাঁদের সঙ্গে একটি মেয়েকে নিয়ে রুমের ভিতরে প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে ১ ও ২ নম্বর ব্যক্তি এবং অন্যান্য ব্যক্তিরা বাদীকে চড়-থাপ্পড় মারেন এবং জোরপূর্বক শরীরের জামাকাপড় খুলে উক্ত মেয়েকে বাদীর পাশে দাঁড় করিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।
১ ও ২ নম্বর ব্যক্তি এবং অজ্ঞাত ব্যক্তিরা জোরপূর্বক বাদীর পার্সোনাল বিকাশ নম্বর থেকে সত্তর হাজার টাকা এবং পকেটে থাকা নগদ এক লাখ টাকা নিয়ে নেন।
পরবর্তীতে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখে ১ ও ২ নম্বর ব্যক্তি তাঁদের ধারণকৃত বাদীর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বাদীর কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। তাঁদের দাবিকৃত টাকা দিতে রাজি না হলে তাঁরা তাঁদের ধারণকৃত বাদীর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেন।
বাদী লোকলজ্জার ভয়ে উক্ত ঘটনা কাউকে প্রকাশ করেননি। উক্ত ঘটনার বিষয়ে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মামলা নং ১৭ (১০) ২৬ ইং দায়ের করেন।
১৬ অক্টোবর পুলিশ বিবাদী রবিউলকে গ্রেপ্তার করেন। রবিউল উক্ত ঘটনার বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন।
এবং এলাকার কিছু কুচক্রী মহল অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সহযোগিতায় বাদীকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভাবে উক্ত ঘটনা ঘটায় বলে গাজী মোঃ আইয়ুব খান জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *