বান্দরবানে হামে আক্রান্ত রোগীদের মাঝে খাবার বিতরণ করল এপেক্স বাংলাদেশ

মো. রাসেল:

বান্দরবান সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীদের পাশে দাঁড়িয়েছে আন্তর্জাতিক সেবামূলক সংগঠন এপেক্স বাংলাদেশ। সংগঠনটির আওতাধীন এপেক্স ক্লাব অব বান্দরবান-এর উদ্যোগে হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও তাদের সঙ্গে থাকা স্বজনদের মাঝে দুপুরের খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুর ১২টায় বান্দরবান সদর হাসপাতালে এ মানবিক খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত মানবসেবামূলক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান।

কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় সহ-সভাপতি এপেক্সিয়ান মো. নুরুল আমিন চৌধুরী আরমান, জাতীয় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালক এপেক্সিয়ান কামাল পাশা, এপেক্স ক্লাব অব বান্দরবানের সভাপতি এপেক্সিয়ান ইঞ্জিনিয়ার রুই প্রু মারমা, পিপি এপেক্সিয়ান নিনি প্রু, সেক্রেটারি এপেক্সিয়ান মাসংচিং মারমা, ট্রেজারার এপেক্সিয়ান মো. ইকবাল হোসেন, অতীত সভাপতি এপেক্সিয়ান মোজাম্মেল হক, এপেক্স ক্লাব অব সাঙ্গুর পরিচালক এপেক্সিয়ান সাইফুল ইসলাম, এপেক্স ক্লাব অব নীলাচলের প্রেসিডেন্ট এপেক্সিয়ান মং ওয়াইচিং এবং বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক সচিত্র মৈত্রীর সম্পাদক ওসমান গনীসহ বিভিন্ন ক্লাবের এপেক্সিয়ান ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উদ্বোধনী বক্তব্যে সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরি বলেন, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল থেকে চিকিৎসার জন্য আসা রোগীদের পাশে দাঁড়ানো একটি মানবিক দায়িত্ব। সরকারি স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি সামাজিক ও আন্তর্জাতিক সেবামূলক সংগঠনগুলো এভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসে। তিনি এপেক্স বাংলাদেশের এ মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় সহ-সভাপতি এপেক্সিয়ান মো. নুরুল আমিন চৌধুরী আরমান বলেন, “সার্ভিস, সিটিজেনশিপ ও ফেলোশিপ”—এই তিন মূলনীতিকে ধারণ করেই এপেক্স বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে, বিশেষ করে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এপেক্সের অঙ্গীকার।

তিনি আরও বলেন, মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই একজন এপেক্সিয়ানের সবচেয়ে বড় অর্জন। ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা, মানবিক সহায়তা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।

খাবার বিতরণ শেষে রোগী ও তাদের স্বজনরা এ উদ্যোগের জন্য এপেক্স বাংলাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আয়োজকরা জানান, সমাজের অসহায় ও সংকটাপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *