মোহাম্মদ হোসেন হ্যাপী:
‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ এবং বিনামূল্যে বৃক্ষের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, নারায়ণগঞ্জের যৌথ উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালিতে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, পরিবেশবাদী সংগঠন, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও), বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
র্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সিফাত উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেন এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, নারায়ণগঞ্জের উপপরিচালক এ.এইচ.এম. রাসেদ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মোবারক হোসেন। পরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের তাৎপর্য ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বায়ুদূষণ প্রতিরোধ এবং পরিবেশ সংরক্ষণে পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে উপস্থাপনা করেন সহকারী পরিচালক মো. রাসেল মাহমুদ।
আলোচনা সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেন বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। পরিবেশ রক্ষায় প্রত্যেক নাগরিককে দায়িত্বশীল হতে হবে এবং অন্যদেরও সচেতন করতে হবে। তিনি যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলা, প্লাস্টিক বর্জ্য যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করা এবং পরিবেশবিষয়ক আইন মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করে