মোঃআনজার শাহ
এক সময় যিনি ছিলেন রাজপথের আপসহীন এক ছাত্রনেতা, ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যাঁর কণ্ঠ কাঁপিয়ে দিত ক্ষমতার অলিন্দ আজ সেই নুরুল হক নূরই বসেন মন্ত্রণালয়ের চেয়ারে, জাতির সেবায়। রাজপথ থেকে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত তাঁর এই দীর্ঘ পথচলা যেন এক অনুপ্রেরণার গল্প, যা আজও উদ্দীপ্ত করে তরুণ প্রজন্মকে।
সম্প্রতি প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব নুরুল হক নূরের কার্যালয়ে প্রথমবারের মতো উপস্থিত হয় ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের একটি প্রতিনিধি দল। তবে এই সাক্ষাৎ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন এক প্রেক্ষাপটে আনুষ্ঠানিক কোনো কর্মসূচি নয়, বরং আত্মিক ও পারিবারিক এক শুভ সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াসে।
বার কাউন্সিলের সম্মানিত সদস্য এবং ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জনাব নজরুল ইসলামের কন্যার শুভ বিবাহ উপলক্ষে দাওয়াতপত্র নিয়ে ঢাকা বারের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে যান প্রতিনিধিদলটি। শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য নজির স্থাপন করে এই সাক্ষাৎ পরিণত হয় উষ্ণ আন্তরিকতার এক মুহূর্তে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং গণঅধিকার পরিষদের আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ শওকত হোসেনসহ আরও অনেকে। আইনজীবী মহল ও রাজনৈতিক অঙ্গনের এই মেলবন্ধন প্রমাণ করে দেয় পেশাগত ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের বন্ধন কতটা মজবুত হতে পারে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে।
মন্ত্রণালয়ের কক্ষে বিরাজ করা প্রাণবন্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর প্রতিনিধিদলকে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান এবং জনাব নজরুল ইসলামের কন্যার সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা ব্যক্ত করেন। একজন সাবেক ছাত্রনেতা থেকে জাতীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছানো এই যাত্রায় তিনি আজও ধরে রেখেছেন সেই পুরনো আন্তরিকতা ও মাটির কাছাকাছি থাকার মানসিকতা যা তাঁকে করে তুলেছে আরও গ্রহণযোগ্য ও শ্রদ্ধেয়।
এই সাক্ষাৎ শুধু একটি দাওয়াতপত্র বিনিময়ের ঘটনা নয়, বরং তা হয়ে উঠেছে আইনজীবী সমাজ ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যকার সেতুবন্ধনের এক সুন্দর দৃষ্টান্ত, যা ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যের নতুন দ্বার উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।