নিজস্ব প্রতিবেদক:
শেয়ারবাজারে কারসাজি ও জালিয়াতির মাধ্যমে ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। আগামী ১৭ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করা হয়েছে।
বুধবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম।
২০২৫ সালের ১৭ জুন মামলাটি দায়ের করে দুদক। মামলার অন্য আসামিরা হলেন সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের, তাঁর স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে জড়িয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। পরিকল্পিতভাবে শেয়ারবাজারে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারিত করে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও এজাহারে অভিযোগ করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, শেয়ারবাজারের প্রচলিত আইন লঙ্ঘন করে গুজব ছড়িয়ে আসামিরা কারসাজি করেন। এর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করে নিজেদের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে তা উত্তোলন করা হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলাটির তদন্ত শেষে দুদক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। আগামী ১৭ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।