সুলতান মাহমুদ:
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী সম্প্রতি নির্বাচনী প্রচারণায় বলেন, “খেজুর গাছ জিতলেই ধানের শীষ জিতবে।” তিনি উল্লেখ করেন, এই আসনে অতীতের সব সরকারই শুধু উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু বাস্তবে জনগণের কষ্টমোচনে কার্যকর কোনো কাজ হয়নি।
মনির হোসাইন কাসেমী বলেন, “নারায়ণগঞ্জ-৪-এর মানুষ অতীতে এমন কোনো জনপ্রতিনিধিকে পায়নি, যিনি প্রকৃত উন্নয়ন বাস্তবায়ন করেছেন। বরং কিছু লোক মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হওয়ার দাবিতে জনগণের আবেগকে পুঁজি করে শুধু প্রতারণা করেছেন। এমন স্বেচ্ছাচারী ও লোভী নেতাদের পতনও এক পর্যায়ে ঘটে গেছে।”
তিনি আরও বলেন, “অতীতের নেতারা আসতেন জনগণের ইমোশনকে পুঁজি করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে, কিন্তু জনগণের টাকা আত্মসাৎ করতেই ব্যস্ত ছিলেন। এবারের ১২ তারিখ আমাদের হাতে এসেছে সুযোগ যোগ্য প্রার্থী বেছে নেওয়ার। আমরা চাই এমন একজন প্রতিনিধি, যিনি শুধু কথায় নয়, কাজে বিশ্বাস করেন। যিনি মানুষের কষ্ট বোঝেন, পাশে থাকেন। সেই ভরসার নাম মনির হোসাইন কাসেমী ভাই।”
মনির হোসাইন কাসেমী নিজেকে উন্নয়ন ও শক্ত নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন এবং খেজুর গাছকে তার নির্বাচনী প্রতীকের প্রতীক হিসেবে পরিচয় করান। তিনি নিশ্চিত করেন যে, খেজুর গাছ মার্কায় ভোট দিলে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে উন্নয়ন ও সেবামূলক কার্যক্রমের নতুন অধ্যায় শুরু হবে।
তিনি জনগণকে বিশেষভাবে আহ্বান জানান, এবারের নির্বাচনে খেজুর গাছ মার্কায় ভোট দিয়ে কাসেমী ভাইকে জয়যুক্ত করুন। তিনি বলেন, “এনায়েতনগর, বক্তাবলী, আলিরটেক, গোগনগর, কাশীপুর, ফতুল্লা ও কতুবপুরের মানুষ একযোগে এই ভোটে অংশ নিলে আমরা সংসদীয় আসন নারায়ণগঞ্জ-৪-এর সেবায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারব।”
মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর নির্বাচনী বার্তা স্পষ্ট: কথার নয়, কাজের প্রমাণই আসন্ন নির্বাচনে মানুষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। জনগণ এবারের ভোটে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগ হাতে পেয়েছেন, এবং খেজুর গাছ মার্কায় ভোটই হবে সেই পরিবর্তনের প্রতীক।