‎ধামরাইয়ে নারীকে হত্যা র অভিযোগে মানববন্ধন ও স্মারক লিপি প্রদান। ‎‎মাসুদুর রহমান ধামরাই ঢাকার ধামরাইয়ে খড় শুকানোকে কেন্দ্র করে নির্যাতনের শিকার এক নারীকে হত্যার ঘটনায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল  ও স্মারক লিপি প্রদান করা হয়েছে। রবিবার ৭ জুন দুপুরে ধামরাই উপজেলা চত্বরে মানববন্ধন শেষে আসামিদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে  নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল মামুন এর কাছে এই স্মারক লিপি প্রদান করেন তারা। ‎‎নিহত ওই নারী লাইলী বেগম উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের বৈন্যা এলাকার মোঃ হালিম এর স্ত্রী তিনি ৫ দিন চিকিৎসাধীন থাকা  অবস্থায় মারা যান। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, গত ২৮ মে বিকেলে বাড়ির পাশের রাস্তায় ধানের খড় রাখাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী নাহিদা বেগমের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় বলে দাবি পরিবারের। এঘটনার পর অভিযুক্ত নাহিদা বেগমের ছেলে শারমান ও তার সহযোগীরা তাদের বাড়ি ঘেরাও করে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে  নিহত নারী বাড়ির গেটের পাশে গেলে তাকে জো’রপূর্বক তুলে নিয়ে তাকে অমানবিক নির্যাতন করা হয়। পরে তাকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার তিনি মারা যান।‎‎ঘটনার বিষয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন বলেন আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে একজন আটক হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে  জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানান তিনি।‎‎

‎ধামরাইয়ে নারীকে হত্যা র অভিযোগে মানববন্ধন ও স্মারক লিপি প্রদান।
‎‎মাসুদুর রহমান ধামরাই
ঢাকার ধামরাইয়ে খড় শুকানোকে কেন্দ্র করে নির্যাতনের শিকার এক নারীকে হত্যার ঘটনায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল  ও স্মারক লিপি প্রদান করা হয়েছে। রবিবার ৭ জুন দুপুরে ধামরাই উপজেলা চত্বরে মানববন্ধন শেষে আসামিদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে  নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল মামুন এর কাছে এই স্মারক লিপি প্রদান করেন তারা। ‎‎নিহত ওই নারী লাইলী বেগম উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের বৈন্যা এলাকার মোঃ হালিম এর স্ত্রী তিনি ৫ দিন চিকিৎসাধীন থাকা  অবস্থায় মারা যান। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, গত ২৮ মে বিকেলে বাড়ির পাশের রাস্তায় ধানের খড় রাখাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী নাহিদা বেগমের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় বলে দাবি পরিবারের। এঘটনার পর অভিযুক্ত নাহিদা বেগমের ছেলে শারমান ও তার সহযোগীরা তাদের বাড়ি ঘেরাও করে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে  নিহত নারী বাড়ির গেটের পাশে গেলে তাকে জো’রপূর্বক তুলে নিয়ে তাকে অমানবিক নির্যাতন করা হয়। পরে তাকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার তিনি মারা যান।‎‎ঘটনার বিষয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন বলেন আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে একজন আটক হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে  জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানান তিনি।‎‎

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *