মোঃআনজার শাহ
গণমানুষের কল্যাণ, টেকসই উন্নয়ন ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্বের অঙ্গীকার নিয়ে দুই দিনের সরকারি সফরে নিজ জেলা কুমিল্লায় আসছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এমপি। আগামী ৩১ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত তাঁর এই সফরকে ঘিরে কুমিল্লাজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক আগ্রহ।
মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত সফরসূচি অনুযায়ী, তিনি উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শনের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। কুমিল্লা ডায়াবেটিক হাসপাতাল এবং কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের চলমান কর্মকাণ্ড পরিদর্শন সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
প্রথম দিন: জুমার নামাজ থেকে দলীয় মতবিনিময়:
৩১ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টায় গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে বরুড়ার উদ্দেশে রওনা হবেন মন্ত্রী। দুপুর ১টায় বরুড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের পর দুপুর ৩টায় বরুড়া উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে উপজেলা ও পৌর বিএনপি, কৃষক দল, শ্রমিক দল ও ওলামা দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নিজ গ্রাম সোনাইমুড়িতে পৌঁছে সেখানেই রাত্রিযাপন করবেন তিনি।
দ্বিতীয় দিন: যুবদল থেকে হাসপাতাল, তারপর উন্নয়ন পরিদর্শন:
১ আগস্ট দুপুর আড়াইটায় সোনাইমুড়ি থেকে বরুড়ার দলীয় কার্যালয়ে ফিরে দুপুর ৩টায় উপজেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন মন্ত্রী। বিকেল ৫টায় কুমিল্লা ডায়াবেটিক হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন তিনি, যা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এরপর বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন তিনি এবং উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কুমিল্লা থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে রাত সাড়ে ১০টায় গুলশানের বাসভবনে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে শেষ হবে তাঁর দুই দিনের সফর।
কুমিল্লাবাসীর প্রত্যাশা
স্থানীয়দের বিশ্বাস, মন্ত্রীর এই সফর কুমিল্লার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার করবে। গৃহায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ ও জনসম্পৃক্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিকাশে এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন কুমিল্লাবাসী। জনগণের দোরগোড়ায় উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে ও গণমানুষের প্রত্যাশাকে বাস্তবে রূপ দিতে এই পথচলা আরও বেগবান হোক এমনটাই প্রত্যাশা এখন কুমিল্লার সর্বস্তরের মানুষের।