লাভলী আক্তার ও নার্গিস নূরী খান পাঠানঃ
নেত্রকোনা জেলার সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের বিয়ারালী গ্রামের বাসিন্দা মোছা. অঞ্জুনা আক্তার তার দ্বিতীয় স্বামী দাবি করে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের সাগলা গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে নেত্রকোনা আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগে জানা যায়, বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের সূত্রে অঞ্জুনা আক্তারের সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলমের পরিচয় হয় এবং তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জাহাঙ্গীর আলমের দাবি, গত ৮ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে দেখা করার কথা বলে তাকে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে পরিকল্পিতভাবে আটকে রেখে জোরপূর্বক বিয়েতে বাধ্য করা হয়। পরবর্তীতে তাদের সংসার শুরু হয়।
জাহাঙ্গীর আলম আরও দাবি করেন, পরে তিনি স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারেন যে অঞ্জুনা আক্তারের পূর্বে আরেকটি বিয়ে হয়েছিল। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। তার অভিযোগ, পূর্বের স্বামীর কাছ থেকেও অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি অবনতির দিকে গেলে তিনি সেখান থেকে চলে আসেন।
পরবর্তীতে অঞ্জুনা আক্তার নেত্রকোনা আদালতে মামলা দায়ের করেন। জাহাঙ্গীর আলম এ মামলাকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও পরিকল্পিত’ উল্লেখ করে অব্যাহতির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, কিছু স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তাদের কেউ কেউ অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট পরিবারের বিরুদ্ধে পূর্বেও অনুরূপ অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অঞ্জুনা আক্তার বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে জাহাঙ্গীর আলম জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।