মোঃআনজার শাহ
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) আজ রবিবার একযোগে দুটি এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে। অবৈধ নির্মাণ ও ইমারত বিধিমালা লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান পরিচালিত হয় রাজধানীর দনিয়া এবং সাভারের রাজফুলবাড়িয়ায়।
রাজউকের মহাখালী জোনাল অফিসের অধীনে পরিচালিত এই যৌথ অভিযানে দুটি পৃথক মোবাইল কোর্ট গঠন করা হয়।
মোবাইল কোর্ট — ১ (জোন-৩/৩)
স্থান: রাজফুলবাড়িয়া, সাভার, ঢাকা
রাজউকের জোন-৩/৩-এর অধীনে সাভারের রাজফুলবাড়িয়ায় পরিচালিত মোবাইল কোর্টে নেতৃত্ব দেন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সবুজ হাসান। অথরাইজড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাসুক আহমেদ। সহকারী অথরাইজড অফিসার হিসেবে ছিলেন মো. নাসির উদ্দিন ও মো. নুরুল হুদা। প্রধান ইমারত পরিদর্শক মো. আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে মাঠপর্যায়ে তদারকি করেন ইমারত পরিদর্শক বাকের মো. আবু রাসেদ, হেলাল সরকার এবং আবদুল্লাহ আল মামুন।
মোবাইল কোর্ট — ২ (জোন-৭/১)
স্থান: দনিয়া, ঢাকা
রাজউকের জোন-৭/১-এর অধীনে দনিয়ায় পরিচালিত মোবাইল কোর্টে নেতৃত্ব দেন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহনাজ পারভীন বীথি। অথরাইজড অফিসার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মো. ইলিয়াস। সহকারী অথরাইজড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. মেহেদী হাসান শাকিল। প্রধান ইমারত পরিদর্শক মো. বেলায়েত হোসেন এবং ইমারত পরিদর্শক মো. শিহাব উদ্দীন মাঠ পর্যায়ে অভিযান পরিচালনা করেন।
রাজউকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ ও প্রটোকল) মো. জোবায়দুল ইসলাম জানান, রাজধানী ও এর আশপাশের এলাকায় অবৈধ নির্মাণ, অননুমোদিত স্থাপনা এবং ইমারত বিধিমালা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে রাজউকের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। নগর পরিকল্পনার শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং নাগরিকদের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাজউকের এই ধরনের নিয়মিত অভিযান রাজধানী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবৈধ নির্মাণ রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং পরিকল্পিত নগরায়ণের পথ সুগম করবে।