মোহাম্মদ হোসেন হ্যাপী:
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মৌচাক ইউলুপের আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের দিকনির্দেশনায় এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমদাদুল হকের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। এসআই (নিঃ) মোঃ নাজমুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় রাত আনুমানিক ৯টা থেকে রাত ১২টার মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মৌচাক সাকিনস্থ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মৌচাক ইউলুপের আশপাশের পাকা রাস্তায় অভিযান পরিচালনা করেন।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার এজাহারনামীয় আসামি এবং আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য ও মিছিলে অংশগ্রহণকারী। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মোঃ মফিজুর (৪০), রুহুল আমিন (৪৮), মোঃ রুবেল (২৮) ও মোঃ সোহেল (৪২)। গ্রেপ্তার মোঃ মফিজুর (৪০) ভোলা জেলার ইলিশা এলাকার মৃত মোতাহার হোসেন হাওলাদারের ছেলে। তার বর্তমান ঠিকানা সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সিআইখোলা এলাকায় কাঠের পুল মমিনুলের পঞ্চম তলার একটি বাড়ির ভাড়াটিয়া বলে পুলিশ জানিয়েছে।
দ্বিতীয় গ্রেপ্তার ব্যক্তি রুহুল আমিন (৪৮)। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন ২ নম্বর ঢাকেশ্বরী, গোদনাইল ধনকুন্ডা এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি বঙ্গবন্ধু পরিষদের সক্রিয় সদস্য। তৃতীয় গ্রেপ্তার ব্যক্তি মোঃ রুবেল (২৮)। তিনি বরিশালের মুলাদি থানার নাজিরপুর এলাকার মোঃ মিজানের ছেলে। বর্তমানে সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আদমজী সোনা মিয়া মার্কেট এলাকায় জনৈক গুজা লিটনের ম্যানেজার হিসেবে বসবাস করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের দাবি, তিনি তাঁতী লীগের সক্রিয় সদস্য।
চতুর্থ গ্রেপ্তার ব্যক্তি মোঃ সোহেল (৪২)। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মিজমিজি তেরা মার্কেট এলাকার সিদ্দিক মিয়ার ছেলে। পুলিশের দাবি, তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগের সক্রিয় সদস্য এবং বিভিন্ন মিছিলে অংশগ্রহণ করতেন। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রয়েছে। অভিযান শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ।